২০ জনের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক: ইকবাল মাহমুদ

0
153
ইকবাল মাহমুদ

ক্যাসিনোর মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন- এমন অভিযোগে অভিযুক্ত ১৫ থেকে ২০ জনের ব্যাপারে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

সোমবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইকবাল মাহমুদ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ক্যাসিনো-সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দুদকের কাজ না হলেও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অংশটুকু দুদকের তফসিলভুক্ত।

অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে দুদুক চেয়ারম্যান বলেন, ‘তারা আইনি পথে চলতে চান। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা যদি মনে করেন জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন, তা হলে তা করবেন। প্রয়োজনে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি, কোনো বিশেষ পেশা দুদকের কাছে মুখ্য বিষয় নয়। দুদকের বিচার্য বিষয় হচ্ছে, দুর্নীতি হয়েছে কি-না এবং তা কমিশন আইনের তফসিলভুক্ত অপরাধ কি-না। যদি অপরাধটি কমিশন আইনের তফসিলভুক্ত হয়, তাহলে সে যেই হোক তাকে নুন্যতম ছাড় দেবে না কমিশন।

সরকারি কর্মচারী আইন সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে ইকবাল মাহমুদ বলেন, যতটা জানি, সরকারি কর্মচারী আইনে বলা হয়েছে, ‘সরকারি দায়িত্ব’ পালনকালে যদি কোনো ফৌজদারি মামলা হয়, তবে চার্জশিট না হওয়া পর্যন্ত তাদের সরকারের অনুমতি ছাড়া গ্রেফতার করা যাবে না। এ সময় তিনি পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, ‘ঘুষ আদান-প্রদান কি সরকারি দায়িত্ব? ঘুষ খাওয়া কি সরকারি দায়িত্বের মধ্যে পড়ে? বর্তমান সরকার যেভাবে ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষুষ্ণতার নীতি অনুসরণ করছে, কমিশনও ঠিক একই নীতি বাস্তবায়ন করছে। এখানে ভুল বোঝাবুঝির কোনো অবকাশ নেই। সংসদে যেসব আইন পাস হয়, তার প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা রেখেই দায়িত্ব পালন করছে কমিশন।’

গত ১ অক্টোবর ক্যাসিনোর মাধ্যমে যারা অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। কমিশনের এক জরুরি সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর অভিযোগ অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয় দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনকে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে