বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রুখে দিল হাঙ্গেরি

0
44
ফ্রান্সের বিপক্ষে ড্র করায় গ্যালারির সামনে দাঁড়িয়ে বুকে হাত দিয়ে জাতীয় সংগীত গেয়ে উদযাপন করছে হাঙ্গেরি। ছবি: এপি

লেমারের ক্রসটি বক্সের ভেতরে দারুণ জায়গায় পেয়ে গিয়েছিলেন ভারানে। ফরাসি এই ডিফেন্ডার মাথাও ছুঁইয়ে ছিলেন। কিন্তু পোস্টের ভেতর রাখতে পারেননি। ভারানের হেডটি বাইরে যেতেই উল্লাসে মেতে ওঠেন হাঙ্গেরির খেলোয়াড়রা।

বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ১-১ গোলে রুখে দেওয়া তো চাট্টিখানি কথা নয়। সে আনন্দেই বুদাপেস্টের ফেরেঙ্ক পুসকাস অ্যারেনার লাল গ্যালারির সামনে দাঁড়িয়ে বুকে হাত দিয়ে জাতীয় সংগীত গেয়ে ফেলে হাঙ্গেরি দল। ম্যাচটি ড্র করে পরের রাউন্ডের আশাও বাঁচিয়ে রাখল তারা।

পিছিয়ে পড়েও গ্রিজম্যানের গোলে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। অবশ্য এই ড্রতে খুব একটা ক্ষতি হয়নি ফ্রান্সের। চার পয়েন্ট নিয়ে তারা গ্রুপের শীর্ষে উঠে গেছে। নকআউট রাউন্ডের দ্বারপ্রান্তেও চলে গেছে তারা।

শনিবার কিন্তু বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কাঁপিয়ে দিয়েছিল পুঁচকে হাঙ্গেরি। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে আতিলা ফিওলা দারুণ এক গোল করে এগিয়ে দেন হাঙ্গেরিকে। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে এডাম এনগায়ের পাস ধরে গতিতে ভারানেকে পেছনে ফেলে ফিওলা বক্সের ভেতরে ঢুকে কোনাকুনি শটে বল ফরাসিদের জালে পাঠিয়ে উল্লাসে ভাসান ৬৭ হাজার স্বাগতিক দর্শককে।

বিরতি থেকে ফেরার পর মরিয়া হয়ে আক্রমণ করেও সমতা ফেরাতে পারছিল না ফ্রান্স। কিন্তু ৬৬ মিনিটে হাঙ্গেরির ডিফেন্ডার অরবান একটি বল ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে সেটা গিয়ে পড়ে আগুয়ান গ্রিজম্যানের সামনে। চোখের পলকে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। ৮১ মিনিটের সময় বক্সের ভেতরে বল পেয়ে গিয়েছিলেন এমবাপ্পেও। কিন্তু তার শট ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক।

ফ্রান্সের জন্য এই রেজাল্ট অবশ্যই হতাশার। ৭০ শতাংশ বলের দখল রেখেও জয়ের দেখা পায়নি তারা। প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হয়েছে তাদের। ম্যাচের শুরুতে এমবাপ্পে, বেনজেমা ও গ্রিজম্যান সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু এই তিন ফরাসি তারকার একজনও তখন সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। উল্টো প্রথমার্ধের শেষ দিকে ফিওলার গোল ফরাসিদের মনে পরাজয়ের শঙ্কা ধরিয়ে দিয়েছিল।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে