সুইসদের হারিয়ে শেষ ষোলোয় ব্রাজিল

ব্রাজিল ১ : ০ সুইজারল্যান্ড

0
66
ব্রাজিলের জয় কাসেমিরোর গোলে, ছবি: রয়টার্স
গোল বাতিলের পর ভিনিসিয়ুসের হতাশা

গোল বাতিলের পর ভিনিসিয়ুসের হতাশা
ছবি: রয়টার্স

২৬ মিনিটে আবারও সহজ একটি সুযোগ থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয় ব্রাজিল। এবার ডান প্রান্ত থেকে বক্সের ভেতরে নিচু ক্রস দিয়েছিলেন রাফিনিয়া। ফাঁকায় বল পেয়ে যান ভিনিসিয়ুস। কিন্তু সুইস গোলকিপার ইয়ান সোমারকে একা পেয়েও বলটি তাঁর সোজা মারেন রিয়াল মাদ্রিদের উইঙ্গার। ৩০ মিনিটে রাফিনিয়ার দূরপাল্লার শটও সোজা সোমারের কোলে গিয়ে পড়ে। ১৯ থেকে ৩৮-লম্বা একটা সময় বল ঘোরফেরা করে সুইজারল্যান্ডের অর্ধে। এরপর একটি প্রতি আক্রমণ নিয়ে ব্রাজিলের বক্সের সামনে যায় সুইসরা। এরপর আবার ব্রাজিলের আধিপত্য। সব মিলিয়ে গোলশূন্য সমতা নিয়ে বিরতিতে যাওয়ার আগে সুইজারল্যান্ডের গোলে ৬টি শট নেয় ব্রাজিল, যার দুটি লক্ষ্যে রেখেও গোলের দেখা পায়নি তারা।

দ্বিতয়ার্ধের শুরুতেই নিষ্প্রভ পাকেতাকে তুলে রিয়াল মাদ্রিদের উইঙ্গার রদ্রিগোকে মাঠে নামান তিতে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্রাজিলের রক্ষণে চাপ তৈরি করে সুইসরা। ৫২ মিনিটে ভালো একটি আক্রমণও করে তারা। কিন্তু সেটা সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এম্বোলো পর্যন্ত পৌঁছায়নি ভিনিসিয়ুস শুয়ে পড়ে বলটি ঠেকানোয়।

সুইজারল্যান্ডের এই আক্রমণটির পরের সময়টা শুধুই ব্রাজিলের। ৫৬ মিনিটে ভিনিসিযুসের বাড়ানো বল পায়ে লাগাতে পারলেই গোল পেতেন রিচার্লিসন। কিন্তু আগের ম্যাচে জোড়া গোল করা রিচার্লিসনের কিছুই যেন ঠিকঠাকভাবে হচ্ছিল না আজ। অবশেষে ৬৪ মিনিটে সুইজারল্যান্ডের জালে বল পাঠান ভিনিসিয়ুস। মাঝমাঠ থেকে আসা পাস ধরে কাসেমিরো বল বাড়ান বাঁদিকে থাকা ভিনিকে। পায়ের কারুকাজে এক সুইস ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে তিনি অসাধারণ শটে বল পাঠান জালে।

সুইস গোলকিপার ইয়ান সোমার বাধা না হয়ে দাঁড়ালে ব্রাজিল পেতে পারত আরও গোল

সুইস গোলকিপার ইয়ান সোমার বাধা না হয়ে দাঁড়ালে ব্রাজিল পেতে পারত আরও গোল
ছবি: রয়টার্স

গোল করে উদ্‌যাপনের কাজটাও সেরে ফেলেন ভিনিসিয়ুস। কিন্তু রেফারি অফসাইড হয়েছে কি না জানতে ভিএআরের সাহায্য নেন। মিনিটখানেক পর তিনি তিনি সিদ্ধান্ত জানান-এটি গোল নয়। পরে থ্রিডি অ্যানিমেশন দেখানো হয় মাঝমাঠ থেকে বলটি আসার সময় ডানপ্রান্তে রিচার্লিসন সেদিকে দৌড় দিয়েছিলেন। বলে কোনো স্পর্শ না দেওয়ার পরও তাই তাঁকে অফসাইড ধরা হয়েছে।

গোল বাতিল হওয়ার পর অবশ্য ভেঙে না পরে আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় ব্রাজিল। পরপর কয়েকটি ভালো আক্রমণ করে তারা। এর ফলও দ্রুতই পেয়ে যায় তিতের দল। কাসেমিরোর গোলের পরও বেশ কয়েকটি আক্রমণ করে ব্রাজিল। কিন্তু গোলের দেখা আর পায়নি। তাতে কী, বিশ্বকাপে এই প্রথম সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে জয় তো পেয়েছে তারা। এই জয়ের পর ‘জি’ গ্রুপে ২ ম্যাচ থেকে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ব্রাজিল। সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে সুইজারল্যান্ড। তৃতীয় স্থানে থাকা ক্যামেরুনের পয়েন্ট ১। চতুর্থ স্থানে থাকা সার্বিয়ার পয়েন্টও ১।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.