ম্যাক্সিম ফাইনান্সের ২১ জনকে ৬০০ কোটি টাকা জরিমানা

0
194
দণ্ডিত ম্যাক্সিম ফাইনান্সের আসামিদের প্রিজন ভ্যানে তোলার জন্য নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

অর্থ পাচারের অভিযোগে ম্যাক্সিম ফাইনান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস সোসাইটির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ২১ জনকে ৬০০ কোটি টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক সৈয়দা হোসনে আরা আজ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

রায় ঘোষণার সময় ম্যাক্সিম ফাইনান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মাদ হাবিবুর রহমান এবং পরিচালক মেহেদী হাসান মোজাফফার, ইমতিয়াজ হোসেন ও এই এম আমিরুল ইসলাম হাজির ছিলেন। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। বাকি ১৭ জন পলাতক রয়েছেন।

রায়ে আদালত বলেছেন, অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩০০ কোটি টাকার দ্বিগুণ ৬০০কোটি টাকা জরিমানা করা হলো। প্রত্যেক আসামিকে ২৮ কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হলো। এই টাকা পাবে রাষ্ট্র।

মামলার কাগজপত্রের তথ্য বলছে, ম্যাক্সিম ফাইনান্স অ্যান্ড কমার্স মাল্টিপারপাস সোসাইটি ব্যবসার নামে অতি মুনাফার লোভ দেখিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে বিভিন্ন শাখার মাধ্যমে ৩০৪ কোটি ১০ লাখ ৫৩ হাজার ৬০৪ টাকা হাতিয়ে নেয়। এই টাকার উৎস গোপন করে ম্যাক্সিম গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ দেখায়, যা অর্থপাচারের অপরাধ।

২০০৫ সালের ২৬ এপ্রিল ম্যাক্সিম মাল্টিপারপাস সোসাইটির কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথমে সমিতির কার্যক্রম ছিল রমনা, মতিঝিল ও খিলগাঁও এলাকায়। ২০০৭ সালে ঢাকা জেলায় কার্যক্রম শুরু করে। ম্যাক্সিম ফাইনান্স ১১৩টি শাখার মাধ্যমে সমবায় অধিদপ্তরের অনুমোদিত শাখার সংখ্যা ২৫টি। আর অননুমোদিত শাখার সংখ্যা ৯৮টি।

এ ঘটনায় ২০১৪ সালের ১৯ মে দুদক মামলা করে।

দণ্ডিত ২১ আসামি

ম্যাক্সিম ফাইনান্সের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মফিজুল হক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান,এবং পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, খায়রুল বাশার, আবদুল হান্নান সরকার, সৈয়দ শরিফুল ইসলাম, ওলিয়ার রহমান, ফজলুর রহমান, আসাদুজ্জামান, সোলাইমান সরোয়ার, হারুন অর রশীদ, শেখ আবদুল্লাহ আল মেহেদী, সৈয়দ জাহিদুল ইসলাম, মনোয়ার হোসেন, এম এ সাদী, আসলাম হোসাইন, মেহেদী হাসান মোজাফফার, ইমতিয়াজ হোসেন, মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ও এইচ এম আমিরুল ইসলাম।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে