ব্যাংক বন্ধের মধ্যেও প্রবাসী আয় আসছে বিকাশে

0
38
প্রবাসী আয়
ঈদের বন্ধে এই সুবিধা প্রবাসী ও তাঁদের স্বজনদের স্বস্তি দিয়েছে। কারণ, টাকা পাঠানো ও গ্রহণের জন্য ব্যাংক, এক্সচেঞ্জ হাউস বা অন্য কোথাও যেতে হচ্ছে না। আবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হচ্ছে ২ শতাংশ প্রণোদনাও।

করোনাভাইরাসের কালে ঈদের বন্ধে এই সুবিধা প্রবাসী ও তাঁদের স্বজনদের স্বস্তি দিয়েছে। কারণ, টাকা পাঠানো ও গ্রহণের জন্য ব্যাংক, এক্সচেঞ্জ হাউস বা অন্য কোথাও যেতে হচ্ছে না। আবার বিকাশ হিসাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হচ্ছে সরকারঘোষিত ২ শতাংশ আর্থিক প্রণোদনাও।

বিকাশের যোগাযোগ বিভাগের প্রধান শামসুদ্দিন হায়দার বলেন, ব্যাংক বন্ধ থাকলেও বিকাশের মাধ্যমে আয় আসছে। কারণ, বিকাশের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা প্রবাসী আয় আসার সুযোগ রয়েছে। আয় আসার পুরো প্রক্রিয়াটা স্বয়ংক্রিয়। ব্যাংক বন্ধের এই সময়ে প্রবাসীরা তাঁদের আয় বিকাশের হিসাবে পাঠাতে পারেন।

বিকাশ কর্তৃপক্ষ জানায়, বিকাশের হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় আসছে সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, কাতার, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও যুক্তরাজ্য থেকে। আর বিশ্বের ৯৩টি দেশ থেকে ৫০টির বেশি অর্থ স্থানান্তর প্রতিষ্ঠান থেকে বিকাশ হিসাবে টাকা পাঠানো যাচ্ছে।

বিকাশ কর্তৃপক্ষ জানায়, বিকাশের হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় আসছে সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, কাতার, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও যুক্তরাজ্য থেকে। আর বিশ্বের ৯৩টি দেশ থেকে ৫০টির বেশি অর্থ স্থানান্তর প্রতিষ্ঠান থেকে বিকাশ হিসাবে টাকা পাঠানো যাচ্ছে।

এগুলোর মধ্যে অনেক দেশে থাকা প্রবাসীরা নিজেই সেই দেশে ব্যবহৃত ওয়ালেট ও অনলাইন হিসাব থেকে দেশে টাকা পাঠাতে পারছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার হানপাস ও জিমানির মতো ওয়ালেটভিত্তিক সেবার মাধ্যমে প্রবাসীরা মোবাইল ওয়ালেট থেকে সহজেই দেশে স্বজনদের বিকাশ হিসাবে টাকা পাঠাতে পারছেন।

আবার ওয়ার্ল্ড রেমিট, ট্রান্সফার ওয়াইজ, রিয়া, গালফ এক্সচেঞ্জ, বাহরাইন ফিন্যান্সিং কোম্পানি (বিএফসি), ব্র্যাক সাজান, সিবিএল মানি ট্রান্সফার, অগ্রণী এক্সচেঞ্জ, এনবিএল এক্সচেঞ্জের মতো অর্থ স্থানান্তর প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সহজে বিকাশ হিসাবে টাকা পাঠানো যায়। দেশের নয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এই অর্থ লেনদেন বৈদেশিক মুদ্রায় নিষ্পত্তি হচ্ছে।

বিকাশের মাধ্যমে দেশে প্রবাসী আয় বিতরণ শুরু হয় ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে। ২০১৮ সালে বিকাশের মাধ্যমে আসে ১৩৪ কোটি টাকা। আর ২০২০ সালে আসে ১ হাজার ১৫১ কোটি টাকার বেশি প্রবাসী আয়।

বিকাশে আসা প্রবাসী আয়ের অর্থ দেশের ২ লাখ ৭০ হাজার এজেন্টের কাছ থেকে তোলা যাচ্ছে। আবার ব্র্যাক, বেসিক, ফার্স্ট সিকিউরিটি, আইএফআইসি, যমুনা, মিডল্যান্ড, শাহজালাল ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের সব এটিএম থেকেও বিকাশের টাকা তোলা যাচ্ছে।

বিকাশের মাধ্যমে দেশে প্রবাসী আয় বিতরণ শুরু হয় ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে। ২০১৮ সালে বিকাশের মাধ্যমে আসে ১৩৪ কোটি টাকা, ২০১৯ সালে যা বেড়ে দাঁড়ায় ২৭১ কোটি টাকার বেশি। আর ২০২০ সালে আসে ১ হাজার ১৫১ কোটি টাকার বেশি প্রবাসী আয়।

সানাউল্লাহ সাকিব

ঢাকা

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে