আফগানিস্তানে বিমান হামলা অব্যাহত রাখবে মার্কিন বাহিনী

0
36
আফগান তালেবান ইতিমধ্যে অনেক জেলা ও সীমান্ত–ক্রসিং দখল করে নিয়েছে। ফাইল ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের নেতৃত্বে রয়েছেন ম্যাকেঞ্জি। আগামী ৩১ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের সেনা অভিযান শেষ হবে। এরপরও আফগানিস্তানে বিমান হামলা অব্যাহত থাকবে কি না, এই প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি ম্যাকেঞ্জি। তিনি বলেন, সম্প্রতি একটি বড় পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে আফগানিস্তান সরকার। তালেবানের জয় অবশ্যম্ভাবী নয়, এর রাজনৈতিক সমাধানের সুযোগ রয়েছে।

এদিকে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, আফগান সেনাদের কোণঠাসা অবস্থা, তালেবানের হামলা বেড়ে যাওয়া; এমন এক পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দেশটিতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ভিত্তিতে একত্রে কাজ করবে চীন ও পাকিস্তান। দেশ দুটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এ কথা জানিয়ে আঞ্চলিক যোগাযোগের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ‘চায়না–পাকিস্তান ইকোনমিক করিডর (সিপিইসি)’ প্রতিষ্ঠারও প্রস্তাব দিয়েছেন।

দ্য হিন্দুর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের চেংদু শহরে বেইজিং ও ইসলামাবাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত তৃতীয় কৌশলগত সংলাপে গত শনিবার দুই দেশ আফগানিস্তান নিয়ে তাদের পাঁচ কর্মপরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি এ যৌথ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে।

এ ছাড়া তালেবানদের রুখতে নতুন যুদ্ধকৌশলের পরিকল্পনা চলছে আফগানিস্তানে। মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকে আফগানিস্তানে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে তালেবানরা। এতে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানিও বাড়ছে। ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আফগানিস্তানের সেনাবাহিনী কৌশলের খুঁটিনাটি বদলের কথা ভাবছে।

নতুন যুদ্ধকৌশল নিয়ে রয়টার্সের এক বিশ্লেষণে জানা যায়, কাবুল এবং বড় বড় শহর, সীমান্ত ক্রসিং ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোয় তালেবানদের প্রতিরোধে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান পরিচালনা করার কথা ভাবছেন আফগান ও মার্কিন কর্মকর্তারা।
আফগান কর্মকর্তারা বলছেন, তালেবানদের সামরিকভাবে মোকাবিলা করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে আফগান সেনারা প্রাদেশিক রাজধানীতে তালেবানদের হামলা ও ক্ষয়ক্ষতি কমানোর বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে