ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপ নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতায় ইসরায়েল

0
25
ইরানের রাজধানী তেহরানে শুক্রবার বিক্ষোভকারীরা যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেন। ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ছবি: রয়টার্স

ইরানে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলার প্রেক্ষাপটে দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য যেকোনো হস্তক্ষেপ নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে ইসরায়েল। বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিনটি ইসরায়েলি সূত্র এমন তথ্য জানিয়েছে।

গত কয়েক দিন হলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার হস্তক্ষেপের হুমকি দিচ্ছেন এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ না করতে ইরানের শাসকদের সতর্ক করেছেন। শনিবার ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘সহায়তার জন্য প্রস্তুত’ রয়েছে।

সপ্তাহান্তে ইরায়েলের নিরাপত্তা–সংক্রান্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এমন সূত্রগুলো অবশ্য ‘সর্বোচ্চ সতর্কতা’ বাস্তবে কী বোঝাচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। উল্লেখ্য, গত জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিনব্যাপী সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলায় অংশ নেয়।

শনিবার এক ফোনালাপে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেন বলে জানিয়েছে আলাপ চলাকালে উপস্থিত এক ইসরায়েলি সূত্র। যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা ফোনালাপের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও আলোচনার বিষয়বস্তু জানাননি।

ইরানে বিক্ষোভ চললেও দেশটিতে সরাসরি হস্তক্ষেপের কোনো ইঙ্গিত দেয়নি ইসরায়েল। তবে ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগের কারণে দুই চিরবৈরী দেশের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। শুক্রবার প্রকাশিত দ্য ইকোনমিস্টে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ইরান যদি ইসরায়েলে হামলা চালায়, তাহলে এর পরিণতি হবে ভয়াবহ। বিক্ষোভের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘সব বিষয়ে আমি মনে করি, আমাদের ইরানের ভেতরে কী ঘটছে, তা দেখা উচিত।’

রয়টার্স

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.