কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশ চলাকালে শিক্ষকের একটি প্রতিনিধিদল দাবির বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় স্মারকলিপি দিতে গেছেন। এদিকে শনিবার সকাল থেকে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শুরু হওয়া এ মহাসমাবেশ চলছে। শিক্ষকেরা বলছেন, স্মারকলিপি দেওয়ার পর সরকারের অবস্থান দেখে তারা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
সহকারী শিক্ষকদের ন্যূনতম বেতন ১১ তম গ্রেডে করা, সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে থেকে শতভাগ পদোন্নতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পদ পূরণসহ তিন দফা দাবি আদায়ে মহাসমাবেশ চলছে।
প্রাথমিক শিক্ষকদের ছয়টি পৃথক সংগঠনের মোর্চা ‘সহকরী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ’ এই মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছেন। এতে সারা দেশ থেকে হাজারো শিক্ষক অংশ নিয়েছেন। পুরো শহীদ মিনার চত্বর কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে শিক্ষকের পদচারণায়।
শিক্ষকেরা বলছেন, দাবি পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচি দেবেন। মহাসমাবেশে অংশ নিয়ে দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শিক্ষক নেতা সেলিম ভূঁইয়া। বর্তমান সরকার এই দাবি পূরণ না করলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় গেলে এই দাবি পূরণের আশ্বাস দেন তিনি। আরও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও মহাসমাবেশে সংহতি জানানোর কথা রয়েছে।
মহাসমাবেশে অংশ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, শিক্ষকের কাছে দাবি পূরণ না করা হলে তিনি শিক্ষকের পক্ষে আইনি লড়াই করে দাবি আদায়ের চেষ্টা করবেন। মহাসমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামছুদদীন মাসুদ।