নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমানকে (৪৭) আটকে পুলিশে সোপর্দ করেছে জনতা। গতকাল শনিবার রাতে রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
আজ রোববার আরিফুর রহমানকে নাটোরে নিয়ে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
আরিফুর রহমান নাটোর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে একাধিকবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে প্যানেল মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি জেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ ঘোষিত) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পৌরসভার প্রকৌশলী, কর্মচারী ও অপর কাউন্সিলরদের মারধরের ঘটনায় তিনি সমালোচিত হন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা, চাঁদাবাজি, মারপিট ও অস্ত্র আইনে মামলা আছে।
গতকাল রাতে জনতা আরিফুর রহমানকে আটক করে রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানায় সোপর্দ করে। তাঁকে আটকের ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
পরে গতকাল রাত ১০টার দিকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম তাঁর ফেসবুক পোস্টে আরিফুর রহমানকে আটক করে চন্দ্রিমা থানায় সোপর্দ করার বিষয়টি জানান। পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, সেখানকার বিএনপি কর্মীরা ‘মব’ সৃষ্টি করে তাঁকে আটক করেছেন।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, আত্মগোপনে থাকা নাটোর পৌরসভার প্যানেল মেয়র আরিফুর রহমানকে আটক করে রাজশাহীর চন্দ্রিমা থানায় সোপর্দ করার খবর শুনেছেন। সেখানকার কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বার্তা পেলে তাঁকে নাটোরে নিয়ে আসার কার্যক্রম শুরু করা হবে। থানার নথিপত্রে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার উল্লেখ আছে।

















