দোহায় স্টেডিয়াম ৯৭৪- এ সোমবার শুরু থেকেই দক্ষিণ কোরিয়াকে নিয়ে ছেলেখেলায় মেতে উঠে ব্রাজিল। চোট কাটিয়ে দলে ফেরা নেইমার, সঙ্গে রিচার্লিসন, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, লুকাস পাকেতাদের অবিশ্বাস্য সুন্দর এবং ভয়ংকর ফুটবলের সামনে অসহায় লাগছিল কোরিয়াকে। ৭ মিনিটে নেইমারের পাস থেকেই ভিনি করেন প্রথম গোলটা। পেনাল্টি থেকে নেইমার নিজেই ব্যবধান বাড়ান ১০ মিনিটের সময়।
এরপর রিচার্লিসন যে গোলটা করলেন, সেটা সম্ভবত এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের সেরা গোলই। ক্রসে থেকে পাওয়া বল নিজের মাথায় তিনবার বাউন্স করিয়ে মার্কিনিওসকে পাস দিলেন। মার্কিনিওসের কাছ থেকে থিয়াগো সিলভার পা ঘুরে আবার রিচার্লিসনের পায়ে বল, শট কোরিয়ার জালে। ৩০ মিনিটের করা রিচার্লিসনের সেই গোলের সঙ্গে টুর্নামেন্টের সেরা গোলের প্রতিযোগিতা হতে পারে সার্বিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই বাইসাইকেল কিকে করা তাঁর বিখ্যাত গোলটার।
দক্ষিণ কোরিয়ার ভোগান্তি সেখানেই শেষ হয়নি। ৩৬ মিনিটে ভিনির পাস থেকে দলের চতুর্থ গোলটা করে পাকেতা একেবারে বিধ্বস্ত করে দেন সন হিউং-মিনদের। তারাও বুঝে যান, এই ম্যাচে বাকি সময়টা শুধু নিয়মরক্ষার জন্য খেলে যেতে হবে তাঁদের।