দেশে ফেরার ক্ষেত্রে বাধার ইঙ্গিত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেওয়ার পর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, এ ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বাধা নেই।
দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়—তারেক রহমানের এই পোস্টের পর আজ শনিবার বিকেলে এক ফেসবুক পোস্টে প্রেস সচিব লিখেছেন, ‘এ ব্যাপারে সরকারের তরফ থেকে কোন বিধিনিষেধ অথবা কোনো ধরনের আপত্তি নেই।’
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান ওয়ান–ইলেভেনের পর ২০০৮ সালে কারাগার থেকে বেরিয়ে সপরিবার যুক্তরাজ্যে যান। তারপর আর তিনি দেশে ফেরেননি। বিদেশে থেকেই দল পরিচালনা করে আসছেন তিনি।
গত বছর জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ায় বিভিন্ন মামলায় তারেক রহমানের সাজার রায় বাতিল হওয়ার পর তাঁর ফেরার আলোচনা শুরু হয়। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক শিগগিরই ফিরবেন, এমন কথা বললেও সুনির্দিষ্ট দিন তারিখ জানাচ্ছেন না তাঁরা।
এর মধ্যে খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর তাঁর জীবন সংকটাপন্ন হয়ে উঠলে গতকাল শুক্রবার শোনা যাচ্ছিল, তারেক দ্রুতই দেশে ফিরছেন।
কিন্তু বাংলাদেশ সময় আজ সকাল পৌনে ৯টার দিকে লন্ডনে থেকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি লেখেন, ‘এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ–স্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু অন্য আর সবার মতো এটা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ অবারিত ও একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।’
বাধা কোত্থেকে, পোস্টে তা স্পষ্ট না করে তিনি লেখেন, ‘স্পর্শকাতর বিষয়টির বিস্তারিত বর্ণনার অবকাশও সীমিত। রাজনৈতিক বাস্তবতার এ পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে উপনীত হওয়ামাত্রই স্বদেশপ্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ উদ্বিগ্ন প্রতীক্ষার অবসান ঘটবে বলেই আমাদের পরিবার আশাবাদী।’
এদিকে ফেসবুক পোস্টে শফিকুল আলম লিখেছেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ইতিমধ্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।’


















