টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় বলেছেন ২০২১ সালের জুলাইয়ে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে বেশ নাটকীয়ভাবেই হয়েছিল সেটা। এবার আর কোনো নাটক নয়। দিল্লিতে আগামীকাল মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবেই টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা দিতে যাচ্ছেন মাহমুদউল্লাহ। জানিয়ে দেবেন, ভারতের বিপক্ষে চলতি সিরিজই তাঁর শেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজ।
তার মানে সব ঠিক থাকলে মাহমুদউল্লাহ ক্যারিয়ারের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি খেলতে যাচ্ছেন ১২ অক্টোবর হায়দরাবাদে। তার আগে পরশু দিল্লিতে খেলবেন ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি–টোয়েন্টিতেও।
সূত্র জানিয়েছে, ভারত সিরিজে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত মাহমুদউল্লাহর আরও আগেই নেওয়া। এ ব্যাপারে নিজের সিদ্ধান্তের কথা চূড়ান্তভাবে জানিয়ে দিয়েছেন বিসিবির শীর্ষ পর্যায়কে। বিসিবিও তাঁর মাঠ থেকে বিদায়ের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।
জানা গেছে, দিল্লির দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিকে সামনে রেখে আগামীকাল সংবাদ সম্মেলনে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা দেবেন ৩৯ ছুঁই ছুঁই এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। এ বিষয়ে জানতে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করেও অবশ্য মাহমুদউল্লাহকে পাওয়া যায়নি।২০০৭ সালে মাহমুদউল্লাহর টি–টোয়েন্টি অভিষেক
২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে নাইরোবিতে কেনিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি অভিষেক। সেই থেকে বাংলাদেশের হয়ে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৩৯টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন মাহমুদউল্লাহ। ১১৭.৭৪ স্ট্রাইক রেটে রান করেছেন ২৩৯৫, গড় ২৩.৪৮।
২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে ৪৩টি টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি, তাঁর অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ দল খেলেছে ২০২১ সালের আমিরাত বিশ্বকাপে। অধিনায়ক হিসেবে মাহমুদউল্লাহ জয় পেয়েছেন ১৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে, হার ২৬টিতে। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর জয় সংখ্যা সাকিবের সমান হলেও সাকিব ১৬টি জয় পেয়েছেন তাঁর চেয়ে কম (৩৯টি) ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে।
লিবিয়ার মিসরাতা শহরে ২৩ অপহৃত বাংলাদেশিকে উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এ ঘটনায় দুজন অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) দিবাগত...
বাঙালি বা বাংলাদেশের সমাজে গর্ভধারণ করা নারীকে আনুষ্ঠানিক অভিনন্দন জানানোর ঘটনা সচরাচর চোখে পড়ে না। ‘ভয়েড অ্যান্ড ব্লিডিং’ চলচ্চিত্রটির প্রথম সংলাপ, ‘কনগ্রাচুলেশন ফর ইয়োর...
দারুণ খেলছিলেন বাবর আজম। ৮২ বলে ৭৮ রান নিয়ে ব্যাটিং করছিলেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক। নিউজিল্যান্ডের ৩৪৪ রান তাড়া করতে জিততে পাকিস্তানের দরকার তখন ৬৯...