নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় এসেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদি। আজ রোববার হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা ও হাওড়া– এ তিন জেলায় চারটি জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর।
মিন্ট অনলাইন জানায়, শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় আসেন মোদি। রাত যাপন করেন রাজভবনে। লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর নবমবারের জন্য রাজ্যটিতে এলেন মোদি। আগামীকাল ভারতে লোকসভা নির্বাচনের চতুর্থ দফা অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র জানায়, মোদির প্রথম সভাটি হবে সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ, উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়। সেখানে ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংহের হয়ে সভা করবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় সভাটি করবেন চুঁচুড়ায়, হুগলি লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের সমর্থনে। দুপুর আড়াইটায় তৃতীয় সভাটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সভাটি তিনি করবেন আরামবাগ লোকসভা আসনের পুড়শুড়ায় বিজেপি প্রার্থী অরূপ কান্তি দিগরের সমর্থনে। মোদির চতুর্থ ও শেষ সভাটি হবে হাওড়া জেলার সাঁকরাইলে বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তীর সমর্থনে।
এদিকে মোদির কঠোর সমালোচনা করেছেন আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। জামিনে কারামুক্ত হওয়ার এক দিন পর গতকাল শনিবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিজেপি কেবল বিরোধী দলের নেতাদের কারাবন্দি করছে না, তারা নিজ দলের নেতাদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নিচ্ছে। মোদি ‘এক দেশ, এক নেতা’ মিশন শুরু করেছেন। শিগগিরই তিনি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারও শেষ করে দেবেন। খবর এনডিটিভির।
কেজরিওয়াল বলেন, ‘আদভানি, মুরলি যোশী, শিবরাজ চৌহান, বসুন্ধরা রাজে, খাত্তার ও রমণ সিংকে তিনি শেষ করে দিয়েছেন। যোগী আদিত্যনাথ তাঁর পরবর্তী টার্গেট। যদি তিনি (মোদি) জেতেন, আদিত্যনাথ দুই মাসের মধ্যে পরিবর্তিত হবেন।’ এ সময় ইন্ডিয়া জোটের এ নেতা মোদিকে ইঙ্গিত করে বলেন, এখন একজন একনায়ক এসেছেন, যিনি গণতন্ত্রকে শেষ করতে চান। ভবিষ্যতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ সব বিরোধী দলের নেতাদের জেলে যেতে হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
ইন্ডিয়া জোটের আরেক নেতা কংগ্রেসের প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও মোদির সমালোচনা করেছেন।