রাশিয়া-ইউক্রেন চলমান যুদ্ধের সময় ইউক্রেনীয় নারীদের ধর্ষণের জন্য নিজের রুশ সেনা স্বামীকে ‘উৎসাহিত’ করার দায়ে রাশিয়ান এক নারীকে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
রুশ সংবাদপত্র প্রাভদার বরাত দিয়ে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাদ্যম এনডিটিভি জানায়, রাশিয়া-ইউক্রেন চলমান সংঘাতের মধ্যেই এই সাজা দেয়া হয়েছে। অঞ্চলটিতে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার মধ্যেই ওই রুশ নারীর কর্মকাণ্ড সবার মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।
রেডিও লিবার্টির বরাত দিয়ে প্রাভদা জানায়, ওলগা বাইকভস্কায়া নামে ওই নারী একজন রুশ নাগরিক। যিনি তার স্বামী, একজন রুশ সেনাকে ইউক্রেনীয় নারীদের ধর্ষণ করার জন্য উৎসাহিত করেছিলেন। তাকে কিয়েভের শেভচেনকিভস্কি জেলা আদালত যুদ্ধের আইন ও রীতিনীতি লঙ্ঘনের অভিযোগে তার অনুপস্থিতিতে দোষী সাব্যস্ত করেছে এবং পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালের এপ্রিলে ইউক্রেনের নিরাপত্তা পরিষেবা (এসএসইউ) একজন রাশিয়ান সৈন্য এবং তার স্ত্রীর মধ্যে কথোপকথনের অডিও প্রকাশ করে। সেখানে, ওই নারী তার স্বামীকে ইউক্রেনীয় মহিলাদের ‘ধর্ষণ করার অনুমতি’ দিয়েছিলেন বলে শোনা যায়।
রেডিও লিবার্টির ইউক্রেনীয় এবং রাশিয়ান পরিষেবার সাংবাদিকরা ওই দম্পতিকে ওলগা এবং রোমান বাইকভস্কি হিসেবে শনাক্ত করেছেন, যারা অধিকৃত ক্রিমিয়ার ফিওডোসিয়ায় থাকেন। রুশ ওই নারীকে যুদ্ধের আইন ও রীতিনীতি লঙ্ঘনের সন্দেহে নোটিশ দেয়া হয়েছিল এবং আন্তর্জাতিক ওয়ান্টেড তালিকায়ও রাখা হয়।
পরে, ইউক্রেনীয় আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা এ ঘটনার তদন্ত সম্পন্ন করেন এবং ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ওলগা বাইকভস্কায়া (পিনিয়াসোভা)-এর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন।