‘১১’-এর চ্যালেঞ্জ থাকছেই আশরাফুলদের

0
268
বয়সী খেলোয়াড়দের জন্যই ফিটনেস পরীক্ষাটা চ্যালেঞ্জের।
টুর্নামেন্ট কমিটির সভা শেষে বিসিবির প্রধান নির্বাহী যেটা জানিয়েছেন, তাতে রাজ্জাক-তুষার-আশরাফুলদের মতো সিনিয়র ক্রিকেটারদের সামনে বিপ টেস্টে ‘১১’ উতরে যাওয়ার চ্যালেঞ্জটাই থাকছে।

 

জাতীয় লিগ খেলতে হলে ফিটনেসের পরীক্ষায় অন্তত ‘১১’ পেতেই হবে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এ সিদ্ধান্তেই অটল থাকছে। আজ বিসিবির টুর্নামেন্ট কমিটির সিদ্ধান্ত হয়েছে, ‘বিপ টেস্টে’ ১১ নম্বরই চূড়ান্ত মানদণ্ড।

গত বছর থেকে ঘরোয়া মৌসুম শুরুতেই ক্রিকেটারদের ফিটনেস পরীক্ষা দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে বিসিবি। গতবার বিপ টেস্টে ন্যূনতম নাম্বার ছিল ‘৯’। এবার সেটি এক লাফে উঠে গেছে ‘১১’-এ। এটি নিয়ে গত কদিনে নানা প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা ক্রিকেটারদের কাছ থেকে, বিশেষ করে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের বেশিরভাগ এটির বিরোধিতাই করেছেন। তাঁদের মতে ৩৫ পেরোনো যেকোনো ক্রিকেটারের কাছে এটি ভীষণ কঠিন পরীক্ষা। অনেকে এও দাবি করেছেন, ফিটনেসের ফাঁদে ফেলে তাঁদের বাদ দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে।

টুর্নামেন্ট কমিটির সভা শেষে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী বললেন, ‘লক্ষ্য ওটাই (১১) দেওয়া হয়েছে। আমাদের প্রাধান্যটা ফিটনেসের ওপর। যেহেতু আপনারা জানেন যে ফিটনেস নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ফিটনেস খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এটাকে তাই আমরা প্রাধান্য দিচ্ছি।’ যদি কোনো খেলোয়াড় বিপ টেস্টে ‘১১’ না পান, তাঁরা কি তবে খেলতে পারবেন না জাতীয় লিগ? নিয়ম করা হয়েছে, নিয়মের একটা ফাঁকও রাখা হয়েছে।

যদি শেষ পর্যন্ত কোনো ক্রিকেটার ফিটনেসের পরীক্ষায় ‘১১’ না পান, তাঁর বিষয়টি বিবেচনা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নির্বাচকদের। জাতীয় লিগের সভায় উপস্থিত থাকা নির্বাচক হাবিবুল বাশারের কথায় যা বোঝা গেল, ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিয়মিত ভালো খেলা খেলোয়াড়েরা কিছুটা ছাড় পেলেও পেতেও পারেন। ফিটনেস পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা আগামীকাল থেকে।

তবে তাঁদের জন্য সর্বনিম্ন কত নম্বর পর্যন্ত ছাড় দেবেন সেটি অবশ্য এখনই বলতে চান না হাবিবুল, ‘আমরা একটা সংস্কৃতি পরিবর্তন করতে চাচ্ছি, একটা বেঞ্চ মার্ক অনুসরণ করতে চাচ্ছি। এটা শুধু আমরা না, সবাই অনুসরণ করে থাকে। গত বার ‘৯’ ছিল, এবার ‘১১’ করেছি। এটাই পরিবর্তন হয়েছে। আমার মনে হয় যারা পেশাদার ক্রিকেটার, ওদের ফিটনেস ঠিক রাখা উচিত।

আমি এখানে বয়সের কথা বলব না, তবে যারা নিয়মিত ভালো খেলে তারা যদি এটা না পারে তখন আমরা দেখব। এখানে কোনো বেঞ্চ মার্ক রাখছি না।। সর্বনিম্ন মান আপনাকে রাখতেই হবে। এটা ‘১০.৫’, ‘১০’ কিংবা ‘৯’ হতে পারে। এটা এখনই আমরা বলব না। ফিটনেসে আমাদের কিছুটা পরিবর্তন আনতেই হবে। ওদের কথা অনুযায়ী হবে না। আমরা এটা নিজেরা বিবেচনা করব। এখানে দাবি দাওয়ার কিছু নেই। যা আমরা করছি ওদের ভালোর জন্য। এটা হলে ক্রিকেটারদেরই ভালো।’

১০ অক্টোবর থেকে শুরু ২১তম জাতীয় লিগ হবে চার ভেন্যুতে—ফতুল্লা, মিরপুর, রাজশাহী এবং খুলনায়। প্রথম দুই রাউন্ডে খেলার কথা জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের। আগের মতো এবারও আয়োজকেরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন ভালো উইকেটে লিগ আয়োজনের।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে