শিমুলিয়া ঘাটে এবার ঘরমুখো জনস্রোত

0
79
শিমুলিয়া ঘাটে ফেরিতে মানুষের ভিড়।

প্রায় তিন সপ্তাহ পর শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটের চিত্র এবার পাল্টে গেছে। রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশ এলাকা থেকে ঈদকে সামনে রেখে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলায় নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন বিভিন্ন পেশার মানুষ। ফলে করোনা সংক্রমণের ভয় উপেক্ষা করেই শুক্রবার থেকে শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষের জনস্রোত দেখা গেছে। একই সঙ্গে ঘাটে বৃদ্ধি পেয়েছে ছোট ছোট যানবাহন পারাপার।

শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শিমুলিয়া ঘাট থেকে চন্দ্রের বাড়ি পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সারিবদ্ধ ছোট ছোট যানবাহনের জট ছিল চোখে পড়ার মতো।

ঘাট সূত্র জানায়, যখনই কোনো ফেরি আসছে, তখনই শিমুলিয়া ঘাটে ঈদ ঘরমুখো মানুষ হুমড়ি খেয়ে ফেরিতে উঠতে ছুটে যাচ্ছেন। গাদাগাদি করে ফেরিতে দাঁড়িয়েই পদ্মা পাড়ি দিতে দেখা গেছে সবাইকে। মানুষের ঢল বেশি হওয়ায় গাড়ি লোড-আনলোডও করতে পারেনি ফেরি।

গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ঢাকা থেকে যাত্রীরা মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহনের মাধ্যমে শিমুলিয়া ঘাটে আসছেন। নৌরুটে লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় হাজারো ঘরমুখো যাত্রী পারাপার হচ্ছেন ফেরিতে করে।

মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. সিরাজুল কবির জানান, শুক্রবার থেকে শিমুলিয়া ঘাটের চিত্র পুরোটাই পাল্টে গেছে। কয়েকদিন আগে ঢাকায় ফেরার চাপ বাড়লেও এবার ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। করোনার কোনো ভয় নেই, ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতেই শত শত মানুষ ছুঁটছেন নিজ নিজ গন্তব্যে।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের সহকারি ব্যবস্থাপক প্রফুল্ল চন্দ্র জানান, ১৩টি ফেরি চলাচল করলেও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় ঈদ ঘরমুখো যাত্রীদের গাড়ি ও যাত্রীর চাপে ফেরিতে লোড-আনলোড করতে মারাত্বক সমস্যা হচ্ছে। বিআইডব্লিউটিসির এক স্টাফ করোনায় আক্রান্ত হলেও যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা তো দুরের কথা, করোনা আতঙ্ক নিয়েই কাজ করতে হচ্ছে স্টাফদের।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে