শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে বুয়েট ভিসি,

0
405
বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার প্রায় ৫০ ঘণ্টা পর বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীদের সামনে এসেছেন উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম।

বেঁধে দেওয়া সময় শেষে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলামকে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টার পরে শিক্ষার্থীদের সমানে হাজির হন।

এর আগে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে বুয়েটের প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দেন। এরপর তাঁরা উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। শিক্ষার্থীরা সেখানে ‘হইহই রইরই ভিসি স্যার গেল কই’ বলে স্লোগান দেন।

শিক্ষার্থীরা যখন উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিচ্ছিলেন, তখন এক ছাত্রী সেখানে এসে বলেন, উপাচার্য ওই কার্যালয়ের ভেতরে অন্য শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। শিক্ষার্থীদের সামনে না আসায় তখন উপাচার্যের কার্যালয়ের ফটকেও তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

বুয়েটের প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। ঢাকা, ৮ অক্টোবর।

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনার ৪৮ ঘণ্টা হতে চললেও উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলামকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এ নিয়ে ক্ষোভ জানান শিক্ষার্থীরা। পরে আজ বিকেল পাঁচটার মধ্যে উপাচার্য সশরীরে এসে এ বিষয়ে জবাবদিহি না করলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা। এরপরই উপাচার্য শিক্ষার্থীদের সামনে আসেন।

গতকাল সোমবার উপাচার্য তাঁর কার্যালয়ে গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। সেখানে তিনি শিক্ষকদের সঙ্গে একটি সভায়ও অংশ নেন। তবে যেখানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, সেই শেরেবাংলা হলে তিনি যাননি, এমনকি প্রকাশ্যেও দেখা যায়নি তাঁকে। তাঁর প্রকাশ্যে না আসার বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ। বুয়েট শহীদ মিনারে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীরা আজ সকালে উপাচার্যকে এ বিষয়ে জবাবদিহি করার আহ্বান জানান।

ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রধান ফটকে তালা দেওয়া পরে উপাচার্যের কার্যালয়ের সমানে অবস্থান নিয়েছেন। ঢাকা, ৮ অক্টোবর।

আংশিক কোনো দাবি মানা হবে না
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে অবস্থান নিয়েছেন। আজ সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত বুয়েট শিক্ষার্থীদের পক্ষে স্লোগান দিতে দেখা যায়। বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা জানান, আংশিক কোনো দাবি মানা হবে না। এরপরই ভিসি শিক্ষার্থীদের সামনে আসেন।

এর আগে শিক্ষার্থীরা ভিসির কার্যালয়, একাডেমিক ভবন, প্রশাসনিক ভবন ও বুয়েটের প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দেন। তাঁরা জানান, আংশিক কোনো দাবি মানা হবে না।

শিক্ষার্থীরা বলেন, তাঁদের দাবি মানা না হলে আগামী ১৪ অক্টোবর বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ থাকবে।

আবরার হত্যার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে