লকডাউন বাড়বে, ২০ লক্ষ কোটির আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা

0
84
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

• ভারতবাসীর প্রতিটি নাগরিকের প্রতি আমার আহ্বান, স্বনির্ভর ভারত গড়ে তুলুন

• রাজ্যগুলির কাছ থেকে আমরা অনেক মতামত পাচ্ছি

• চতুর্থ দফার লকডাউন পুরোপুরি আলাদা প্রকৃতির হবে  

• এটা ঠিক যে করোনাভাইরাস দীর্ঘদিন আমাদের মধ্যে থাকবে

• আপনাদের প্রয়াস-প্রচেষ্টা আপনাদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আরও বেড়ে যাচ্ছে

• এ বার থেকে স্থানীয় বাজারের প্রচারও করতে হবে

• তার গুরুত্ব বাড়তে বাড়তে গ্লোবাল হয়েছে

• গ্লোবাল মার্কেটও এক সময় স্থানীয় স্তরে ছিল

• স্থানীয় বাজারের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই আর্থিক প্যাকেজে

• এ বার সময় হয়েছে আমাদের তাঁদের জন্য় কিছু করার

• গরিব, নিম্নবিত্ত মানুষ অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন

• এই সঙ্কটে ভারতবাসী অনেক কষ্ট সহ্য করেছেন

• এটা এমন এক সঙ্কট যেখানে বড় বড় অর্থনীতির ভিতও নড়ে গিয়েছে

• আর্থিক প্যাকেজে অনেক বিকল্প রয়েছে, যাতে আমাদের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়বে, গুণগত মানও নিশ্চিত থাকবে

• আগামী সময়ে প্রমাণিত হবে, ভারত সব সময় বিশ্বে সব কিছুতেই নেতৃত্ব দিয়েছে

• এই সংস্কার অর্থনীতিকে আরও মজবুত করবে

• এই সংস্কার কর ব্যবস্থা, কৃষিকাজ-সহ সমস্ত ক্ষেত্রের জন্য়

• গত ৬ বছরে যে সব সংস্কার হয়েছে, তার জন্য় এই সঙ্কটের সময়ে ভারত অধিকতর শক্তিশালী

• কাল থেকে শুরু করে আগামী কয়েক দিন অর্থমন্ত্রী এই প্যাকেজের বিষয়ে ঘোষণা করবেন

• এই আর্থিক প্যাকেজ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের জন্য

• এই আর্থিক প্যাকেজ দেশের গরিব সাধারণ মানুষের জন্য

• ২০ লাখ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা, যা জিডিপির প্রায় ১০ শতাংশ 

• কিছু দিন আগে যে আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা হয়েছে, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পদক্ষেপও কাজে এসেছে

• করোনা সঙ্কটের মোকাবিলা করতে এক বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা হয়েছে

• এই পাঁচটি ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করতে হবে

• পঞ্চম: বাজার বা চাহিদা, আমাদের দেশে রয়েছে বিরাট বাজার, চাহিদা বাড়াতে যোগানও বাড়াতে হবে

• চতুর্থ: জনসংখ্যা, আমাদের বিরাট সংখ্যক জনসংখ্যা আমাদের সম্পদ

• তৃতীয়: সিস্টেম

• দ্বিতীয়: পরিকাঠামো

• প্রথম: অর্থনীতি, যা একটা সুদৃঢ় ভিতের উপর দাঁড়িয়ে থাকবে

• এই আত্মনির্ভরতা পাঁচটি স্তম্ভের উপর খাড়া হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে

• আমরা ভারতকে স্বনির্ভর করে তুলব

• কিন্তু পরবর্তীকালে দেখেছি আমরা, কী ভাবে উঠে দাঁড়িয়েছে কচ্ছ

• সেই সময় কেউ ভাবেনি যে এই কচ্ছ আবার ঘুরে দাঁড়াবে

• কচ্ছের ভূমিকম্প দেখেছি আমি, চার দিকে শুধুই ধ্বংস আর ধ্বংস

• আমরা এটা করতে পারি এবং অবশ্যই করব

• আমাদের কাছে সেরা প্রতিভা রয়েছে, আমাদের গুণমান আরও উন্নত করব, যোগান আরও বাড়াব

• এর জবাব হচ্ছে, ১৩০ কোটি ভারতবাসীর আত্মনির্ভরতা

• কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কী ভাবে?

• সারা বিশ্বে এই বিশ্বাস তৈরি হয়েছে যে, ভারত বিশ্ববাসীর জন্য অনেক কিছু করতে পারে

• ভারতের ওষুধ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গিয়েছে, তার জন্য ভারতীয়দের প্রশংসাও হচ্ছে

• টিবি হোক বা পোলিও হোক, ভারতের প্রকল্পের প্রভাব সারা বিশ্বে পড়বেই

• এই ভারতে আত্মনির্ভর হয়, এক সুখী ও সমৃদ্ধ বিশ্বের ছবি উঠে আসে

• এটা সম্ভব হয়েছে ভারতের প্রতিজ্ঞার জোরে

• সেই ভারতই আজ প্রতিদিন ২ লক্ষ পিপিই এবং ২ লক্ষ মাস্ক তৈরি করছে

• একটাও এন-৯৫ মাস্ক ছিল না

• যখন ভারতে করোনাভাইরাস পাওয়া গিয়েছিল, তখনও একটাও পিপিই কিট ছিল না

• একটা উদাহরণ দিচ্ছি

•  এই সময় ভারতের জন্য একটা সংবাদ, একটা সুযোগ নিয়ে আসছে

• রাষ্ট্র হিসেবে আমরা এক বিরাট সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে

• এই ভাইরাস থেকে এগনোর একটাই উপায়, আত্মনির্ভর ভারত

• আমাদের বাঁচতেও হবে, এগোতেও হবে

• আমাদের করোনা পরিস্থিতিকে দেখার সুযোগ হয়েছে

• কিন্তু হেরে যাওয়া, ভেঙে পড়া মানবতার অভ্যাস নয়

• মানবজাতির কাছে এ এক অভূতপূর্ব সঙ্কট

• এই রকম সঙ্কট আমরা আগে না কখনও দেখেছি, না শুনেছি

• জীবন বাঁচাতে সারা বিশ্ব এক জোট হয়েছে

• সারা বিশ্বে কোটি কোটি মানুষ এই সংকটের মোকাবিলা করছে

• একটা ভাইরাস সারা বিশ্বকে টালমাটাল করে দিয়েছে

• করোনার মোকাবিলা করতে চার মাস সময় কেটে গিয়েছে

• প্রিয় দেশবাসী, আপনাদের সবাইকে নমস্কার

১৭ মে-র পরে কোন ক্ষেত্রে কতটা ছাড় দেওয়া হবে বা কোথায় নিয়ন্ত্রণ জারি থাকবে, তার একটা আগাম আভাস প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে থাকতে পারে বলে পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন। আবার পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরা, যাত্রিবাহী ট্রেন চলাচল শুরু নিয়েও নানা রকম প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন মহলে। সে বিষয়েও মোদী বার্তা দিতে পারেন বলে একাংশের মত।বেহাল অর্থনীতির চাকা কী ভাবে সচল করা যায়, তা নিয়ে পরিকল্পনার কথা থাকতে পারে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে।

সোমবারই মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যগুলির মতামত জেনেছেন মোদী। এর পর রাজ্যগুলিকে লিখিত আকারে ১৫ মে-র মধ্যে নিজেদের মতামত পাঠাতে বলা হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, তার আগে লকডাউনের বিষয় নিয়ে স্পষ্ট বার্তা নাও দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। তবে একাধিক ইঙ্গিত থাকতে পারে তাঁর কথায়।

রাজ্যে রাজ্যে আটকে পড়া শ্রমিকরা ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন কয়েক দিন আগে থেকেই। ট্রেনে, বাসে, হেঁটে, সাইকেলে, লরি-গাড়ি ভাড়া করে দেশের রাস্তায় রাস্তায় শ্রমিকদের ঢল। কিন্তু এই পরিযায়ী শ্রমিকরা রাজ্যে ফিরলে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে পারে, এমন আশঙ্কা রয়েছে। সেই আশঙ্কার কথা মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকেও উল্লেখ করে মোদী বলেছিলেন, ‘‘এটা ঠিক যে, এই ঘটনায় (পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরা) নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে পারে। কিন্তু এটা দেশকে করোনামুক্ত করতে সাহায্য করবে।’’  সে ক্ষেত্রে পরিযায়ী শ্রমিকরা রাজ্যে ফেরার পর রাজ্যগুলির কী করণীয়, সে বিষয়ে বার্তা দিতে পারেন প্রধামন্ত্রী। পাশাপাশি এই শ্রমিক শ্রেণির কর্মসংস্থানের বিষয়েও বার্তা থাকতে পারে মোদীর কথায়।

সুত্রঃ আনন্দবাজার

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে