রাজাকারের তালিকা প্রকাশে অনীহার অভিযোগ

0
132
মাগুরা জেলা মুক্তিয়োদ্ধা কমান্ডার রাজাকারের নাম ঘোষণা করছেন

১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে সারাদেশে একযোগে রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ করার কথা থাকলেও মাগুরায় এর ব্যতিক্রম ঘটেছে। মুক্তিযোদ্ধা আছাদুজ্জামান স্টেডিয়ামে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান বা শেখ কামাল ইনডোর স্টেডিয়ামে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাজাকারের তালিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তা ব্যক্তিদের নির্লিপ্ততা লক্ষ্য করা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তবে ইনডোর স্টেডিয়ামে মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে জেলা প্রশাসক আশারাফুল আলম জানিয়েছেন, বিষয়টি যাচাই বাছাইয়ের কাজ চলছে। কারা ওই সময় ভাতাপ্রাপ্ত রাজাকার ছিলেন তা যাচাই বাছাই শেষে যত দ্রুত সম্ভব একটি নির্ভুল তালিকা প্রকাশ করা হবে।

এদিকে রাজাকারের তালিকা প্রকাশ না করায় ইনডোর স্টেডিয়ামে উপস্থিত বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

জেলা কমান্ডার মোল্লা নবুয়ত আলী জানান, সদর উপজেলা থেকে তারা ৪০৪ জন রাজাকারের তালিকা জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দিয়েছেন। অন্য তিন উপজেলায় তালিকা প্রণয়নে কিছূটা সমস্যা হওয়ায় তারা বাকীগুলো জমা দিতে পারেননি।

তিনি আরও জানান, এ্কাত্তর সালে মাগুরায় মোটা দাগে যারা পাকবাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন তার মধ্যে আইয়ুব চৌধুরী, পীর ওবাইদুল্লাহ, জোহা উকিল, আবু মিয়া, চান্দ আলী, মওলানা মতিন, আইনাল ডাক্তার, হাবিবুর রহমান, ওয়াজেদ আলী, মনসুর মীর, এমএ আওয়াল, রিজু, কবির অন্যতম। তবে এর মধ্যে রিজু ও কবির সে সময় ইসলামী ছাত্র সংঘের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তারা পাকবাহিনীর কসাই হিসেবে কাজ করতেন। জেলা কমান্ডারের দাবি,  রিজু ও কবির মিলে যুদ্ধের সময় অন্তত ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মানুষকে হত্যা করেছেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে