ভারতের সঙ্গে হারের কারণ ‘মানসিক’

0
317
যুব এশিয়া কাপের ফাইনালে তীরে এসে তরি ডুবেছে বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব–১৯ দলের। ছবি: এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল
কাল ভারতের কাছে যুব এশিয়া কাপের ফাইনাল হেরেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। তীরে এসে তরি ডোবার যন্ত্রণা নিয়ে আজ দেশে ফিরেছেন যুবারা।

 

বাংলাদেশের আরও একটি ফাইনাল হার, ভারতের কাছে আরও একটি হার—এবার জাতীয় দল নয়, যুব এশিয়া কাপের ফাইনালে জয়ের খুব কাছে গিয়ে হেরেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। এবার তীরে এসে তরি ডোবার কারণটা মনস্তাত্ত্বিকই বলছেন যুব দলের অফ স্পিনার শামীম হোসেন। তবে সরাসরি কিছু না বললেও বুঝিয়ে দিয়েছেন ভুল আম্পায়ারিংও একটা বড় কারণ।

বাংলাদেশ যুবাদের হাতে তখন ২ উইকেট, জয় থেকে ৬ রান দূরে। এ সময় আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে এলবিডব্লু হন তানজীম (৩৫ বলে ১২)। টিভি রিপ্লেতে দেখা গেছে আনকোলেকারের বলটি তার ব্যাটে লেগেছিল। এমনকি টিভিতেই ব্যাটে বল লাগার শব্দ শোনা গেছে। দুই বল পর শেষ উইকেট তুলে নেন আনকোলেকার। ১০১ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। প্রথমবার অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ ফাইনালে ওঠা বাংলাদেশের যুবাদের শিরোপা জয়ের স্বপ্নটা স্বপ্নই থেকে গেছে।

আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের অফ স্পিনার শামীম হতাশা লুকাননি, ‘আপনারা সবাই সরাসরি খেলা দেখেছেন। বুঝতেই পেরেছেন ব্যাপারটা। আপনারা আমাদের চেয়ে ভালো দেখেছেন। কিন্তু আমাদের সঙ্গে খেলা হলেই কেন এমন হয়?’

আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্ত তো আছেই, এই হারে যুবাদের দায়ও যে কম নয়। ১০৭ রানের সহজ লক্ষ্যটা তাড়া করতে না পারার কোনো অজুহাত হতে পারে না। বিসিবির যে দলই হোক ভারতের কাছে কেন যেন পেরে ওঠে না বাংলাদেশ, বেশির ভাগ ম্যাচেই হারতে হয় খুব কাছে গিয়ে। ‘সিনিয়র’ কিংবা ‘জুনিয়র’—বাংলাদেশের দুটি দলই এমন হতাশা উপহার দিচ্ছে বারবার। গত বছর মিরপুরে যুব এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে এই শামীমরাই হেরেছিলেন মাত্র ২ রানে। খুব কাছে গিয়ে হেরে গিয়ে শামীম কেঁদেছিলেন। আবারও সেই ভারতের কাছে স্বপ্নভঙ্গের যন্ত্রণা।

বারবার কেন এমন যন্ত্রণা, সেটির কোনো ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছেন না শামীম, ‘এটা বলার মতো নয়। প্রতিবারই এমন হয়, ভারতের কাছে আমরা জেতা ম্যাচ হেরে যাই। এটা আসলেই অনেক লজ্জার বিষয়। হয়তো মনস্তাত্ত্বিক কিছু একটা কাজ করে ওই সময়।’

এই মনস্তাত্ত্বিক বাধা টপকাতে না পারলে ভবিষ্যতেও হারের যন্ত্রণা পেতে হবে। দলের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান পারভেজ হোসেন তাই বলছেন, ‘এখান থেকেই আমাদের বের হতে হবে অবশ্যই। সেই বের হওয়ার পথ আমাদেরই খুঁজতে হবে।’

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে