বিপ টেস্টে ১১ না হলে জাতীয় লিগ নয়

0
245
ছবি: বিসিবি

জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের বিপ দিতেই হয়। ‘এ’ দল, এইচপি বা বয়সভিত্তিক দলেও ক্রিকেটারদের ফিটনেস পরীক্ষায় বিপ টেস্ট থাকে। ক্রিকেটাররাও বিপ টেস্ট দিয়ে অভ্যস্ত। তবে এ বছর থেকে শুধু বিসিবির দল নয়  জাতীয় লিগে খেলতে হলেও ফিটনেস পরীক্ষায় পাস করতে হবে ক্রিকেটারদের। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বুধবার জানান, বিপ টেস্টে ১১ স্কোর করতে না পারলে জাতীয় লিগে খেলার সুযোগ দেওয়া হবে না।

অক্টোবর থেকে ঘরোয়া ক্রিকেটের লিগ মৌসুম শুরু হবে। নান্নু জানালেন, এই লিগ শুরুর আগে কন্ডিশনিং ও স্কিল ট্রেনিং হবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের। তিনি বলেন, ‘প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটারদের ফিটনেস পরীক্ষায় ১১ করতে হবে। এর নিচে হলে কাউকে ম্যাচ খেলতে দেওয়া হবে না। দুই সপ্তাহের ফিটনেস ট্রেনিং হবে। আট থেকে ১০ দিন হবে স্কিল ট্রেনিং। এরপর যে যার দলে যাবে। ক্যাম্প পরিচালনা করবেন বিসিবির ট্রেনাররা। আমরা সেটা তদারকি করব। ফিটনেসের ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই।’

জাতীয় দলের বিপ টেস্টে ক্রিকেটারদের ফিটনেস দেখার পর নড়েচড়ে বসেছে বিসিবি। টাইগারদের ফিটনেস দেখে হতাশা প্রকাশ করেছেন ফিজিও মারিও ভিল্লাভারানে। পেস বোলারদের বিপ টেস্টের গড় ১০ স্কোর দেখে বিস্মিত হয়েছেন পেস বোলিং কোচ ল্যাঙ্গেভেল্ট। এ নিয়ে প্রধান নির্বাচককে একটি রিপোর্টও দিয়েছেন তিনি।

প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো চান ঘরোয়া লিগ, ‘এ’ দল, এইচপি ক্রিকেট দলের সঙ্গে সমন্বয় করে জাতীয় দল পরিচালনা করতে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে নির্বাচকদের সঙ্গে সমন্বয় করছেন ডমিঙ্গো। ঘরোয়া ক্রিকেটেও খেলোয়াড়দের ফিটনেস লেভেল বেঁধে দেওয়া এরই অংশ। দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট পরিচালিত হয় বিসিবির টাকায়। বিভাগীয় কর্মকর্তারা জাতীয় লিগের দল পরিচালনা করায় ক্রিকেটারদের ফিটনেসের ব্যাপারটি এতদিন নির্বাচকরা দেখতেন না। এতে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে ঘাটতি থেকেই গেছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে