পেট্রাপোল কাস্টমসে প্রিন্টার বিকল হয়ে ৪ দিন ধরে আমদানি-রফতানি বন্ধ!

0
131
ফাইল ছবি

ভারতের পেট্রাপোল কাস্টমসে প্রিন্টার নষ্ট হয়ে পড়ায় ৪ দিন ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। দু’দেশে প্রবেশের অপেক্ষায় শতশত পণ্যবোঝাই ট্রাক বন্দর এলাকায় দাঁড়িয়ে আছে। পচনশীল পণ্যবোঝাই ভারতীয় ট্রাক বনগাঁ ও পেট্রাপোল থেকে ফিরিয়ে অন্য বন্দরে নিয়ে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। তবে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে।

ভারতের পেট্রাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চ্যাটার্জি বলেন, পেট্রাপোল কাস্টমসের প্রয়োজনীয় সকল মালামাল সরবরাহ করে সি ডাব্লিউ সি পার্কিংয়ের ম্যানেজার দেব দুদ দত্ত। কাস্টম অফিসে ইন্টারনেট থেকে ডকুমেন্টস প্রিন্ট করার জন্য ৬টি প্রিন্টার ছিল। প্রায় ৬ মাস আগে ৩টি প্রিন্টার নষ্ট হয়ে পড়ে। ৩টি প্রিন্টারে কাজ হচ্ছিল, এর মধ্যে প্রায় ২ মাস আগে আরও ২টি প্রিন্টার নষ্ট হয়ে পড়ে। ১টি প্রিন্টার দিয়ে গত ২ মাস কাজ হচ্ছিল। গত বুধবার রাতে সেটিও নষ্ট হয়ে পড়ে। শুক্রবার দিল্লি থেকে টেকনিশিয়াল আসে প্রিন্টার মেরামত করতে, কিন্তু ব্যার্থ হয়ে ফিরে গেছেন। এখন নতুন প্রিন্টার না আসা পর্যন্ত আমদানি-রফতানি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।

বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) আব্দুর জলিল জানান, আগে পেট্রাপোল বন্দরে হাতে কলমে কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হতো। বর্তমানে ভরতীয় বন্দরে অটোমেশন প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় ওই কাজ এখন অনলাইনে ইন্টারনেট সার্ভারে করা হচ্ছে। শনিবার সকাল থেকে পেট্রাপোল বন্দরে ইন্টারনেট প্রিন্টার বিকল হয়ে পড়ায় তারা পণ্য খালাস ও আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত কোন কাজ করতে পারছে না।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের অফিসার ইনচার্জ মহাসিন খান বলেন, ভারতে সার্ভার বিকল থাকায় বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে।

শনি-সোমবার দু‘দিন দেশের এ বৃহত্তর বন্দরে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় প্রবেশের অপেক্ষায় শতশত পণ্যবোঝাই ট্রাক আটকা পড়েছে বন্দর এলাকায়। শুধুমাত্র অনলাইন প্রিন্টার নষ্ঠ থাকায় ৪দিন আমদানি-রফতানি বন্ধ অথচ পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষেরও কোন মাথা ব্যাথা নেই দেখে ব্যবসায়ীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে