পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় চুক্তির পূর্নাঙ্গ বাস্তবায়ন জরুরীঃ জেএসএস(এম,এন,লারমা)

0
511
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত জেএসএস(এমএন লারমা) নেতৃবৃন্দ।

খাগড়াছড়ি জেলা শহরে একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা)’ দাবী জানিয়েছে  “পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় অনতিবিলম্বে চুক্তির যথাযথ ও পূর্নাঙ্গ বাস্তবায়ন”। ২ ডিসেম্বর পার্বত্য শান্তির পূর্তি উপলক্ষে আজ শনিবার ৩০ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এ সংগঠনটি।

জেলা শহরের এফএনএফ রেস্টুরেন্টে এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সুধাকর ত্রিপুরা।

তিনি বলেন, ‘ভূমি কমিশনকে কার্যকর করা, পুলিশ, ভূমি ও বনসহ গুরুত্বপূর্ন বিভাগসমূহ আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদে হস্তান্তর এবং স্থায়ী বাসিন্দাদের নিয়ে ভোটার তালিকায় জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদের নির্বাচন দিতে হবে। এ ৭ দফা দাবী সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপন করেন তিনি।

এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করা হয়।পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সুধাকর ত্রিপুরা বলেন সরকার চুক্তি অধিকাংশ ধারা বাস্তবায়ন করছে ঠিকই কিন্তু ভুমি, স্থানীয় পুলিশ ও বনসহ মৈলিক বিষয়গুলো এখনো অবাস্তবায়িত রয়ে গেছে।

উপস্থিত জেএসএস নেতারা আশা করেন, ‘বর্তমান সরকার যেহেতু পার্বত্য শান্তি চুক্তিটা করেছে, তাই এ সরকারই চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন করবে।’ চুক্তি বাস্তবায়নে সরকারের আন্তরিকতার পাশাপাশি অবাস্তবায়িত মৌলিক ধারাগুলো বাস্তবায়নে আরো আন্তরিকতা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন।

সরকার চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন করলে পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি ফিরে আসবে। একমাত্র চুক্তির পূর্নাঙ্গ বাস্তবায়নের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে চলমান সংঘাত ও সহিংসতা বন্ধ করা সম্ভব হবে বলেও জানান জনসংহতি সমিতির নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিমল কান্তি চাকমা, সহ-সাধারণ সম্পাদক সুভাষ কান্তি চাকমা, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সুদর্শন চাকমা, সদস্য দূর্গা রানী চাকমা ও খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিন্দু কুমার চাকমা উপস্থিত ছিলেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে