পাকিস্তানের কাছে উড়ে গেলেন নিগাররা

0
83
আউট হয়ে ফিরে যাচ্ছেন রুমানা আহমেদ।

বোলিংটাও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ৭১ রানের লক্ষ্য পাকিস্তান ১২.২ ওভারে ১ উইকেট হারিয়েই টপকে যায়। ওপেনার সিদরা আমিন ৩৫ বল খেলে ৩৬ রানে অপরাজিত ছিলেন।

অধিনায়ক বিসমাহ মারুফের ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত ১২ রান। ১৪ রান করে আউট হওয়া ওপেনার মুনিবা আলীর উইকেটটি নিয়েছেন সালমা খাতুন।

বাংলাদেশ ম্যাচটা হেরেছে মূলত বাজে ব্যাটিংয়ের কারণে। ব্যাটিংয়ের সময় বাংলাদেশ ইনিংসে ব্যাটিং পাওয়ারপ্লে বলে যেন কিছুই ছিল না। প্রথম ৬ ওভারে এসেছে মাত্র ১২ রান, উইকেট হারিয়েছে ৩টি, যার মধ্যে ২টিই ছন্দে থাকা শামীমা সুলতানা ও ফারজানা হকের। দুজনই বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারের অন্যতম স্তম্ভ।

প্রথম ওভারেই পেসার ডায়না বেগের অফ স্টাম্পের বলে আড়াআড়ি শট খেলে বোল্ড হন শামীমা। ৫ বল খেলে ১ রান করে আউট হন তিনি। স্থায়ী হয়নি ফারজানার ইনিংসও। ৭ বল খেলে ১ রান করে সাদিয়া ইকবালের বাঁহাতি স্পিনে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সুইপের চেষ্টায় বোল্ড ফারজানা।

লতা মন্ডল করেন ১২ রান

লতা মন্ডল করেন ১২ রান

শুরুর বিপদ সামলাতে বাংলাদেশ দল রুমানা আহমেদকে চারে খেলিয়েছে। কিন্তু সেটাও কাজে দেয়নি। ডায়নার সোজা বলে এলবিডব্লু হয়ে বিদায় নেন তিনিও। অথচ বাংলাদেশ দলের দাপটের পেছনে এই টপ অর্ডার ব্যাটিংই ছিল মূল কারণ।

গত কয়েক ম্যাচে বাংলাদেশের মিডল অর্ডার ব্যাটিংকে পরীক্ষাই দিতে হয়নি। আজ চাপের মুখে সেই মিডল অর্ডারকেই হাল ধরতে হতো।

বাংলাদেশ দল তখন তিনে নামা অধিনায়ক নিগার সুলতানার ব্যাটের দিকে তাকিয়ে। লতা মণ্ডলের সঙ্গে দারুণ ফর্মে থাকা নিগার জুটি গড়ে বিপদ সামলে নেবেন, এমনই ছিল সবার আশা।

হতাশ সালমা খাতুন

হতাশ সালমা খাতুন
ছবি: শামসুল হক

কিন্তু পাকিস্তানি অফ স্পিনার নিদা দারের ভেতরে ঢোকা বল সুইপ করতে গিয়ে এলবিডব্লুর ফাঁদে পড়েন লতা।

অধিনায়ক নিগার আরও কিছুক্ষণ লড়াই করলেন ঠিক, কিন্তু সেটি বড় কোনো পার্থক্য গড়ে দিতে পারেনি। নিদা দারের অফ স্পিনে পেছনের পায়ে খেলতে গিয়ে এলবিডব্লু হন তিনিও। বাংলাদেশের রানটা তখনো ৫০ ছাড়ায়নি।

এরপর সালমা খাতুনের ২৯ বলে অপরাজিত ২৪ রানের ইনিংসে ৭০ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.