পাকিস্তানকে হারিয়ে থাইল্যান্ডের ইতিহাস

0
73
পাকিস্তানকে হারিয়ে উচ্ছ্বসিত থাইল্যান্ডের মেয়েরা

হতাশ হওয়াই স্বাভাবিক। থাইল্যান্ডের বিপক্ষে কাগুজে সম্ভাবনায় পাকিস্তানেরই এগিয়ে থাকার কথা। কিন্তু আজ ব্যাটিং-বোলিংয়ে নিজেদের সেরা ছন্দে ছিল না বিসমাহর দল।

আগে ব্যাট করে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ উইকেটে ১১৬ রান করেছে পাকিস্তান। ওপেনার সিদরা আমিন ছাড়া বাকি ব্যাটাররা বড় রান নিতে পারেননি থাই বোলারদের বিপক্ষে।

এরপর থাই নারী দলের সেরা ব্যাটার নাত্তাখান চান্থামের ব্যাট জ্বলে ওঠে। উদ্বোধনে নেমে ৫১ বলে ৬১ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন তিনি। একাই পাকিস্তানি বোলিংয়ের বিপক্ষে রান তাড়ার চাপ সামলেছেন।

বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতার পরও ইনিংসের ১৯তম ওভার পর্যন্ত টিকে ছিলেন। দলকে ১০৫ রান পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে নিদা দারের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে মিড উইকেটে ক্যাচ আউট হন চান্থাম।

শেষ ৮ বলে দরকার ছিল ১২ রান। ক্রিজে ছিলেন এই এশিয়া কাপের আগেই বোলিং অ্যাকশন নিষিদ্ধ হওয়া অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার রোসেনান কোনাহ ও বোচান্থাম।

দুজনই থাইল্যান্ডকে পৌঁছে দেন ঐতিহাসিক জয়ের খুব কাছে। শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে কোনাহর ব্যাট থেকে আসা একটি চার সিলেটকে থাই উৎসবের মঞ্চ বানিয়ে দেয়। পরের ৩ বলে দৌড়ে আরও ৪ রান নিয়েই শুরু হয় সে উৎসব।

ইনিংসের ১ বল বাকি থাকতেই পাকিস্তানের বিপক্ষে থাইল্যান্ডের ৪ উইকেটের জয়ে উন্মুক্ত হয়ে গেছে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালের দুয়ার। আর সারা বিশ্বে পৌঁছে গেছে থাই মেয়েদের উত্থানের বার্তা। ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ায় বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়া, সর্বশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে বাংলাদেশকে হারানোর পর থাই মেয়েরা পেয়ে গেল গর্ব করার আরও একটি জয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.