নেপালের বিপক্ষে ৫০ ‘ডট’ দিয়ে শান্ত-সৌম্যদের ১৫৫

0
228
নাজমুল হোসেন শান্ত।
এসএ গেমসে আজ নেপালের বিপক্ষে ৬ উইকেটে ১৫৫ রান তুলেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের

আগের ম্যাচে ভুটানের মতো দলকেও অলআউট করতে পারেনি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। সেই হতাশা থেকেই নেপালের বিপক্ষে বোলারদের ভালো করার তাগাদা দিয়েছিলেন সৌম্য সরকার। কিন্তু অনূর্ধ্ব-২৩ দলের সিনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে ব্যাটিংয়ের দায়িত্বটা সৌম্য নিজেই পালন করতে পারেননি। শুধু সৌম্য নয় জাতীয় দলের আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাঈমও ভালো করতে পারেননি। আজ এসএ গেমসে নেপালের বিপক্ষে মাত্র ১৬ রানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে বেশ বিপদেই পড়েছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। ভাগ্যিস, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও আফিফ হোসেন ছিলেন!

জাতীয় দলে খেলা চার ক্রিকেটার খেলছেন নেপালের বিপক্ষে। এর মধ্যে সৌম্য ও নাঈমের ব্যাট ব্যর্থ হলেও পঞ্চম উইকেটে শান্ত-আফিফের ভালো জুটিতে বোলারদের লড়াই করার বেশ ভালো পুঁজি এনে দিতে পেরেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। ২০ ওভার খেলে ৬ উইকেটে ১৫৫ রান তুলেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।৬০ বলে ৭৫ রানে অপরাজিত ছিলেন নাজমুল। ২৮ বলে ৫২ রান করে আউট হন আফিফ।

আগে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ ওভারের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। সৌম্য (৬) ও নাঈমকে (৬) তুলে নেন নেপালের অলরাউন্ডার পরশ খাড়কা। মিডিয়াম পেস কিংবা অফ স্পিন করা খাড়কা মূলত ব্যাটসম্যান হিসেবেই বেশি পরিচিত। এর আগে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ২৯ ম্যাচে তাঁর শিকারসংখ্যা ছিল মাত্র ৭ উইকেট। অথচ এই খাড়কাই আজকের ম্যাচে নেপালের সবচেয়ে সফল বোলার! ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট।

তিনে নামা শান্ত এক প্রান্ত আগলে রাখলেও মিডল অর্ডারে সাইফ হাসান ও ইয়াসির আলী দাঁড়াতে পারেননি। ১০.২ ওভারের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৫৯ রান তুলেছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। এখান থেকে পাল্টা লড়াই শুরু করেন নাজমুল-আফিফ জুটি। ৫৬ বলে ৯৪ রানের জুটি গড়েন দুজন। ১ ছক্কা ও ৬ চারে ইনিংসটি সাজান আফিফ। শেষ ওভারে তিনি ফিরে যাওয়ার পরের বলেই আউট হন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন।

আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে ১২তম দল নেপালের বিপক্ষে ভালো শুরু না পাওয়া পোড়াবে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের। প্রথম ১০ ওভার শেষে ওভার প্রতি গড়ে ছয়ের নিচে রান ছিল দলের। শান্ত-আফিফ জুটি মূলত ১৫তম ওভার থেকে রানের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন। শেষ ৩০ বলে এসেছে ৫৯ রান। প্রথম ১০ ওভারে দল ভালো অবস্থায় থাকলে সংগ্রহটা হয়তো তৃপ্তিদায়ক হতো বাংলাদেশের সমর্থকদের জন্য। কেননা, নেপালের মতো দলের বিপক্ষে ওভার প্রতি গড়ে ৭.৭৫ রান তোলায় তৃপ্তির চেয়ে খেদই বেশি হওয়ার কথা। নিঃসন্দেহে এই খেদ আরও বাড়িয়ে দেবে ‘ডট’ বলের সংখ্যা—৫০!

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.