নিবন্ধনহীন ওষুধ উৎপাদনে ১০ বছরের কারাদণ্ডের আইন হচ্ছে

0
51

যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন ছাড়া ওষুধ উৎপাদন, আমদানি, বিতরণ, মজুদ, প্রদর্শন অথবা বিক্রি করলে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, অনূর্ধ্ব ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে। একইভাবে মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এমন পথে যেমন- ফুটপাত, মহাসড়ক ও গণপরিবহনে অ্যালোপ্যাথিক, ইউনানি, আয়ুর্বেদিক, হোমিওপ্যাথি, বায়োকেমিক, হারবাল অথবা অন্য কোনো ওষুধ ফেরি করে এবং বিনামূল্যে বিতরণ করলেও অনূর্ধ্ব দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে।

এ ছাড়া অসৎ উদ্দেশ্যে ভেজাল ও নকল ওষুধ উৎপাদনের তথ্য পেলে পরোয়ানা ছাড়াই সেখানে তল্লাশির পাশাপাশি সন্দেহভাজন অপরাধীকে আটক করতে পারবে কর্তৃপক্ষ। এ ধরনের নানা বিধান রেখে ওষুধ আইন, ২০২১-এর খসড়া প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। আইনটি বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। নতুন আইনটি পাস হলে বিলুপ্ত হয়ে যাবে বিদ্যমান দি ড্রাগ অ্যাক্টস, ১৯৪০ ও দি ড্রাগস (কন্ট্রোল) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২।

প্রস্তাবিত আইনে ৭৯টি ধারার অধীন অনেকগুলো উপধারা সংযোজিত হয়েছে। এ আইনের অধীনে কেউ লাইসেন্স ব্যতীত কোনো প্রকারের ওষুধ বিক্রয়, মজুদ, বিতরণ ও প্রদর্শন অথবা বিক্রয় করলে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, অনূর্ধ্ব পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখের পর ওষুধ বিক্রি করলেও শাস্তি ও জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন অসাধু ব্যক্তি। এতে সর্বোচ্চ ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এতে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই কোনো অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ ধারা লঙ্ঘনের শাস্তি ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড। প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, ওষুধের মূল্য নির্ধারণ করে দেবে ‘ওষুধের মূল্য নির্ধারক কমিটি’।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে