জিম্বাবুয়ের প্রত্যাশা মাসাকাদজার স্মরণীয় বিদায়

0
217
হ্যামিলটন মাসাকাদজা।

জিম্বাবুয়ের সোনালি সময়ের একমাত্র প্রতিনিধি হ্যামিলটন মাসাকাদজা। ২০০১ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে রানে চাপা পড়েও দুর্দান্ত দাপটে হারারে টেস্ট ড্র করেছিল জিম্বাবুয়ে। ওই টেস্টে গ্রান্ট ফ্লাওয়ার, এলিস্টার ক্যাম্পবেল, হিথ স্ট্রিক, গাই হুইটালদের সঙ্গে তিনিও ছিলেন। অভিষেকেই সেঞ্চুরি করে হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। জিম্বাবুয়ের সোনালি প্রজন্মের শেষ সদস্যের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ হচ্ছে শুক্রবার চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। অথচ তেমন কোনো হেলদোল নেই জিম্বাবুয়ের। বৃহস্পতিবার অনুশীলনও করেননি তারা।

কাইল জার্ভিসের কাছে মাসাকাদজার বিদায়ের কথা তুলতেই মুচকি হেসে চলে গেলেন। ভাবখানা এমন, দেখা যাক কী হয়! তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কিছু বিদায়ী আনুষ্ঠানিকতা করবে। তার ১৮ বছরের ক্যারিয়ারে বাংলাদেশ নিয়ে স্মৃতির শেষ নেই। ছয়-সাত বছর নিয়মিত বাংলাদেশে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেছেন। বিপিএল, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ খেলেছেন। বিসিবি তাই বিদায় বেলায় স্মারকসহ কিছু উপহার তুলে দেবেন মাসাকাদজার হাতে। তবে মাসাকাদজার সেরা বিদায়ী উপহার হবে একটা জয়।

জিম্বাবুয়ের সামনে একটা সুযোগও চলে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ ক’জন খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দিতে পারে আফগানরা। সুযোগটা কাজে লাগাতে হলে বড় ভূমিকাটা মাসাকাদজাকেই নিতে হবে। দলের মতো এ টুর্নামেন্টে অধিনায়ক মাসাকাদজাও যে ব্যর্থ। তিন ম্যাচে ৬২ রান করেছেন তিনি। টি-২০ ক্রিকেটে জিম্বাবুয়ের সেরা পারফরমার তিনি। বিদায় বেলায় জ্বলে উঠলে অঘটন ঘটেও যেতে পারে। আফগানদের বিপক্ষে পেয়ে যেতে পারে অধরা জয়ের স্বাদ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.