চুপি চুপি তৈরি হয়েছেন মাশরাফি

0
157
আবার অনুশীলনে মাশরাফি।
চোট কাটিয়ে বোলিংয়ে ফিরেছেন মাশরাফি। ঢাকার কোচ সালাউদ্দিন বলছেন, অভিজ্ঞ এ পেসারকে পাওয়া যাবে পুরো বিপিএলে

চোট কাটিয়ে মাশরাফি বিন মুর্তজা বোলিং অনুশীলন শুরু করেছেন। আজ সকালে বিসিবি একাডেমি মাঠে চার ওভার বোলিং করেছেন। ঢাকা প্লাটুনসের কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আশাবাদী, টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই পাওয়া যাবে ঢাকার এ তারকাকে।

অনেক দিন পর বোলিং শুরু করেছেন, ছন্দে ফিরতে আরেকটু সময় লাগবে মাশরাফির। তবে সালাউদ্দিন মনে করছেন টুর্নামেন্টের পুরোটাই খেলতে পারবেন বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক, ‘টুর্নামেন্টের পুরোটা খেলবে বলেই তো মাশরাফিকে নেওয়া হয়েছে। আমার কাছে মনে হয় সে খেলবে, ভালোভাবেই খেলবে। আজ প্রথম বোলিং করল, ছন্দে একটু সমস্যা হবে। কয়েক দিন বোলিং করলেই ঠিক হয়ে যাবে। সবচেয়ে বড় বিষয় ওর অভিজ্ঞতা, এটা তো ফেলতে পারবেন না। যখন খেলবে শতভাগ দিয়েই খেলবে।’

দুপুরে বিসিবির নির্বাচক হাবিুবুল বাশারও বললেন একই কথা, ‌‌‘মাশরাফি অনেক দিন ধরে অনুশীলন করছে, কেউ জানে না। ফাঁকে ফাঁকে চুপি চুপি করে যাচ্ছে। মাশরাফির অভিজ্ঞতা, সামর্থ্য এটা কখনো কমেনি। কমবেও না। ফিটনেস নিয়ে সে কাজ করছে। সে খুবই সিরিয়াস। এই বিপিএলটা ও খুব ভালো খেলবে। ওর খেলার আগ্রহটা এখনো মরে যায়নি। অনেকেই অনেক কথা বলে। সে এখনো ক্রিকেট খেলতে চায় এবং ও যখন খেলে সেরাটাই খেলতে চায়। এটাই হলো মাশরাফির সঙ্গে বাকিদের পার্থক্য।’

মাশরাফি ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনেক দিন ধরে অনুশীলন করছেন। ব্যক্তিগতভাবে ফিট হয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন। শরীরের ওজন অনেক কমিয়েছেন। আজ অনুশীলন করেছেন কোনো অসুবিধা ছাড়াই। সালাউদ্দিন বললেন, ‌‌‘আমার চেয়ে মাশরাফি বেশি অনুপ্রাণিত। সে আজ থেকে অনুশীলন শুরু করেনি, অনেক দিন ধরেই করছে। কেউ হয়তো দেখেনি। দারুণ কিছু করতে সে ভীষণ উন্মুখ।’ ড্রাফটের শেষ দিকে দল পেয়েছেন বলেই কি তাড়নাটা আরও বেশি অনুভব করছেন মাশরাফি? সালাউদ্দিন তা মনে করেন না, ‘খেলোয়াড় নেওয়ার প্রক্রিয়া যেটা ছিল সেভাবে নিয়েছি। দুটো এ-প্লাস ক্যাটাগরির খেলোয়াড় নিতে পারব না বলে আমরা প্রথম দিকে নিইনি, সুযোগ থাকলে নিয়ে নিতাম।’

কুমিল্লার হয়ে ২০১৫ ও ২০১৮ বিপিএল চ্যাম্পিয়ন কোচ সালাউদ্দিন এবার নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে শুরু করতে যাচ্ছেন টুর্নামেন্ট। ঢাকার দায়িত্ব এবার তাঁর হাতে। তাঁর প্রতি ঢাকার দর্শকদের প্রত্যাশা থাকবে অনেক বেশি। সালাউদ্দিন বলছেন, এ ধরনের চাপ সামলাতে অভ্যস্ত তিনি। তাঁর কাছে বরং ঢাকার চেয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস সামলানো বেশি কঠিন মনে হয়েছে, ‘ঢাকার চেয়ে আমার কাছে মনে হয় কুমিল্লা দলে কোচিং করানো অনেক চাপের। কুমিল্লার সমর্থকদের উন্মাদনা বেশি থাকে। দলের প্রতি তাদের দরদও অনেক বেশি ছিল। এটা সামলানোর অভ্যাস আছে, এখানেও যদি চাপ থাকে আমরা সেটা সামলে নিতে পারব।’

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে