ঘুষের মামলায় দণ্ডিত বাছির জামিন পেলেন

0
46
এনামুল বাছির

সাজার রায়ের বিরুদ্ধে এনামুল বাছির আপিল করেন, যা গত ১৩ এপ্রিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি ৮০ লাখ টাকা জরিমানা স্থগিতের পাশাপাশি নথি তলব করা হয়। এরপর জামিন চেয়ে আবেদন করেন বাছির, যার ওপর আজ শুনানি হয়। আদালতে এনামুল বাছিরের পক্ষে আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী এবং দুদকের পক্ষে খুরশীদ আলম খান ও চৌধুরী নাসিমা শুনানিতে অংশ নেন।

আপাতত আর কোনো মামলা না থাকায় বাছিরের মুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই বলে জানান বাছিরের আইনজীবী ফারুক আলমগীর। তিনি বলেন, বাছিরকে পৃথক দুটি ধারায় তিন ও পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন বিচারিক আদালত। রায়ে উভয় সাজা একসঙ্গে চলবে বলে বলা হয়। এ হিসাবে এনামুল বাছিরের কারাভোগের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর। ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই থেকে বাছির কারাগারে আছেন। কারাবিধির হিসাব অনুযায়ী, তিনি প্রায় চার বছর কারাগারে আছেন। বাছির অসুস্থ এবং তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকার দিকটি জামিনের যুক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, বাছিরের জামিনের বিষয়টি দুদককে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। দুদকের অভিপ্রায় অনুসারে আপিল বিভাগে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

দুদকের মামলা থেকে বাঁচিয়ে দিতে তৎকালীন ডিআইজি মিজানুরের কাছ থেকে বাছির ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়। অনুসন্ধানে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুজনের বিরুদ্ধেই মামলা করেন দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাছির কমিশনের দায়িত্বে থাকাকালে অসৎ উদ্দেশ্যে নিজে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার আশায় ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। তিনি মিজানুরকে অবৈধ সুযোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁর কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানি লন্ডারিং আইনে অপরাধ করেছেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.