কোহলির ‘ড্রিম উইকেটে’র পরেও জায়েদের আক্ষেপ

0
158
কোহলির উইকেটকে নিজের স্বপ্নের উইকেট মনে করেন কোহলি। ছবি: এএফপি

বিরাট কোহলির উইকেট সব বোলারের কাছেই ভীষণ আরাধ্য। সেই উইকেটটা আবু জায়েদ পেয়ে গেছেন কত দ্রুত! ইন্দোর টেস্টে বাংলাদেশের প্রাপ্তি সামান্য। সামান্য প্রাপ্তির মধ্যে একটি হচ্ছে আবু জায়েদের বোলিং।

শুধু কোহলি কেন, জায়েদ দ্রুত ফিরিয়েছেন রোহিত শর্মাকেও। পেয়েছেন চেতেশ্বর পূজারা ও অজিঙ্কা রাহানের উইকেট। প্রতিটি উইকেটই বোলারের কাছে বড় প্রাপ্তি। তবে কোহলির উইকেট আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে জায়েদের কাছে, ‘ওদের দুজনকে আউট করে অনেক ভালো লাগছিল। বলতে গেলে কোহলি-রোহিত দুজন বিশ্বের এক আর দুই নম্বর ব্যাটসম্যান। যেহেতু বিরাট কোহলি বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটসম্যান, অবশ্যই সে আমার স্বপ্নের উইকেট।’

জায়েদের তথ্যে সামান্য ভুল আছে। ব্যাটসম্যানদের মধ্যে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে এখন এক নম্বরে আছেন স্টিভ স্মিথ। দুইয়ে কোহলি। অবশ্য এ ভুলে তাঁর কী আসে যায়! কোহলি তো কোহলিই! তাঁকে আউট করা অবশ্যই অনেক বড় ব্যাপার। কিন্তু জায়েদ যে অন্য প্রান্ত থেকে তেমন সহায়তা পেলেন না। আরেকজন সতীর্থ বোলার যদি জ্বলে উঠতেন, ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা এত সহজে বড় স্কোর গড়তে পারতেন?

জায়েদ মনে করেন, সতীর্থ বোলাররা যদি লাইন-লেংথ ঠিক রেখে বোলিং করতেন, ইন্দোর টেস্ট বাজেভাবে হারতে হতো না বাংলাদেশকে, ‘আমাদের লাইন এবং লেংথে বেশি মনোযোগ দেওয়া উচিত। টেস্টে বোলারদের লাইন-লেংথ ঠিক রাখাই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ। জায়গায় বোলিং করলে ব্যাটসম্যানরা ভুল করলে সুযোগ তৈরি হয়। এই টেস্টে অনেক বাউন্ডারি হয়েছে। এগুলো না হলে ভালো হতো।’

টেস্টে ভারতীয় পেস আক্রমণ এখন বিশ্বসেরা। জায়েদ তাই চেষ্টা করছেন ভারতীয় পেসারদের কাছ থেকে কিছু শিখতে, ‘তারা যেহেতু অনেক সিনিয়র বোলার, অনেক টেস্ট খেলেছে। (মোহাম্মদ) শামি ভাইয়ের সঙ্গে কালও কথা বলেছি আমরা। শামি ভাইয়ের সঙ্গে আমার সিমিংয়ে একটু মেলে। দুজনই সিমিং বোলার। শামি ভাইয়ের বল ভালোভাবে দেখেছি। মাঝে মাঝে উচ্চতাও মিলিয়েছি। আমাদের চেয়ে বেশি নাকি সমান উচ্চতা। তখন মনে হয়েছে হয়তো শামি ভাইয়ের মতো বোলিং করতে পারব।’

ইন্দোর টেস্ট শেষ। সামনে কলকাতায় দিবারাত্রির টেস্ট। গোলাপি বলে তেমন অনুশীলন না করা হলেও এটির সঙ্গে আবু জায়েদের প্রথম পরিচয় তাঁর মেজো ভাই মেহেদী হাসানের কাছ থেকে। এ বছরের শুরুতে তাঁর ভাই যুক্তরাজ্য থেকে এনে দিয়েছিল গোলাপি বল। গোলাপি বল নেড়েচেড়ে দেখা মানেই আয়ত্তে এসে গেছে, তা নয়। আবু জায়েদ গোলাপি বলের প্রস্তুতি হাতে পাওয়া এ পাঁচ দিনেই সারতে চান।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে