কারাগার থেকে গ্রাহকদের উদ্দেশে যে কথা বলেছেন ইভ্যালির এমডি

0
62
ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন

ইভ্যালি বলেছে, ‘গ্রাহক ও সেলারদের স্বার্থ সুরক্ষায় ইভ্যালি সর্বোচ্চ সচেষ্ট। দেশীয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠিত হতে গ্রাহকদের সব সময় পাশে পেয়েছে ইভ্যালি। এই ভালোবাসায় আমরা চিরকৃতজ্ঞ। সামনের দিনগুলোতেও এভাবে আপনাদের পাশে চাই। আপনাদের ভালোবাসার শক্তি আমাদের অদম্য পথচলার প্রেরণা। ইভ্যালির পাশে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।’

পোস্ট দেওয়ার পর এক ঘণ্টায় ইভ্যালির পক্ষে-বিপক্ষে মন্তব্য পড়েছে ৭৯৮টি। যেমন মো. তালহা হোসাইন বলেছেন, ‘মুখে মধু নিয়ে পাবলিকের হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিলেন। কিন্তু এখনো এই মধু অবিরাম।’

ইমরান হাসান প্রশ্ন তুলে বলেছেন, ‘মানে দুই মাস সার্ভার মেইনটেইন করার টাকাও আপনাদের কাছে নাই?’ আরাফাত হোসেন বলেছেন, ‘রাসেল আসলে জেলখানায়, নাকি হাসপাতালে?’ কামরুল হাসান বলেছেন, ‘ওরা মাসুদকে ভালো হতে দিল না।’ মোহাম্মদ রাসেদ বলেছেন, ‘শুভকামনা ভবিষ্যতের জন্য।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দেওয়া ইভ্যালির হিসাব অনুযায়ী কোম্পানিটির ৫৪৪ কোটি টাকার দায় রয়েছে। দায়ের বিপরীতে তাদের চলতি সম্পদ রয়েছে ৯০ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। আর সম্পত্তি, স্থাপনা ও যন্ত্রপাতি মিলিয়ে রয়েছে ১৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এ দুইয়ের যোগফল মোট ১০৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এগুলো হচ্ছে স্থাবর সম্পত্তি।

মোট দায় ৫৪৪ কোটি টাকা থেকে এই অঙ্ক বাদ দিলে বাকি থাকে ৪৩৯ কোটি টাকা, যাকে ইভ্যালি বলছে তার অস্থাবর সম্পত্তি।

বিবরণী মেলাতে ইভ্যালি দেখিয়েছে, অস্থাবর সম্পত্তি ৪৩৮ কোটি টাকার মধ্যে ৪২৩ কোটি টাকা হচ্ছে তার ব্র্যান্ড মূল্য, আর ১৫ কোটি ৮৩ লাখ টাকা হচ্ছে অদৃশ্যমান সম্পত্তি। গত ১৬ সেপ্টেম্বর র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেপ্তার করে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে