ইলিশ নিধন: বরিশালে তিন এসআইসহ ৫ পুলিশ প্রত্যাহার

0
397
ইলিশ

অভিযানের নামে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ ধরার ঘটনায় জড়িত বরিশাল বন্দর থানার আরও ৫ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাদের পুলিশ লাইন্সে প্রত্যাহার করা হয়।

এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান মেট্রোপলিটন পুলিশে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আকরাম হোসেন মঙ্গলবার দুপুরে ৫ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তারা হলেন- বন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তরিকুল ইসলাম, ইফরান হোসেন ও সোহেল রানা এবং কনস্টেবল জাকির হোসেন ও ইব্রাহিম। একই ঘটনায় জড়িত থাকায় বন্দর থানার উপপরিদর্শক আনিস, কনস্টেবল মোহম্মদ আলী ও জুলফিকার আলীকে সোমবার সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

বরিশাল বন্দর থানার একদল পুলিশ রোববার সন্ধ্যায় দুটি ট্রলার ও একটি স্পিডবোটে বাউফল উপজেলা-সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ ধরছিলেন। এ সময় বাউফল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও কালাইয়া ফাঁড়ি পুলিশ তেঁতুলিয়া নদীতে টহলে গিয়ে বন্দর থানার কনস্টেবল জুলফিকার ও মোহম্মদ আলী এবং ৪ জেলেকে আটক করেন। অপর দুটি বোটে অন্য পুলিশ সদস্যরা পালিয়ে যায়। রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বন্দর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন তালুকদার বাউফলে কালাইয়া পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে আটক দুই পুলিশ সদস্যকে নিয়ে আসেন।

শুরুতে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, ইলিশ নিধনে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে নদীতে টহলের সময় তারা ভুলে বাউফলের জলসীমায় ঢুকে পড়েছিল। তবে মৎস্য অধিদপ্তর থেকে দাবি করা হয়, ইলিশ নিধনে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালে তাদের কর্মকর্তা ছাড়া নদীতে পুলিশ কিংবা অন্য কোনো প্রশাসনের টহলে যাওয়ার নিয়ম নেই।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে