আফগানদের আয়ত্তের মধ্যে আটকাল জিম্বাবুয়ে

0
281
রহমানুল্লাহ গুরবাজ,ছবি: বিসিবি

বাংলাদেশের সঙ্গে আফগানিস্তান ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রিদেশীয় টি-২০ সিরিজের ফাইনালে টিকিট পেয়ে গেছে। ঢাকায় দুই ম্যাচে হারের পর চট্টগ্রামেও প্রথম ম্যাচে হেরেছে জিম্বাবুয়ে। ছিটকে গেছে তিন জাতীয় টি-২০ টুর্নামেন্টের ফাইনাল থেকে। তারপরও চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে রশিদ খানদের বিপক্ষে শেষ ম্যাচটা গুরুত্বপূর্ণ জিম্বাবুয়ের কাছে। কারণ হ্যামিলটন মাসাকাদজার বিদায়ী ম্যাচ এটি। আফগানিস্তানকে এই ম্যাচে ১৫৫ রানে আটকেছে জিম্বাবুয়ে। লক্ষ্য রেখেছে আয়ত্তের মধ্যে।

জিম্বাবুয়ের সোনালী অধ্যায়ের সেনানায়ক মাসাকাদজা। জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের অন্ধকার যুগেরও সাক্ষী তিনি। যখন অবসর নিচ্ছেন তখন জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটে রাজনীতির কালো ছায়া পড়ায় বৈশ্বিক আসরে আইসিসির নিষেধাজ্ঞা ভোগ করছে। তারপরও ১৮ বছর জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটকে সেবা দেওয়া মাসাকাদজা বিদায়ী উপহার হিসেবে একটা জয় প্রত্যাশা করতেই পারেন। সতীর্থদের ব্যাট হাতে তাই বাকি কাজটা করতে হবে। যদিও চট্টগ্রামে এই রান তাড়া করা সহজ কাজ নয়।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু করে আফগানিস্তান। দুই ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ এবং হয়রতউল্লাহ জাজাই দশ ওভারের মধ্যে ৮৩ যোগ করেন। রহমানুল্লাহ খেলেন ৬১ রানের ইনিংস। চারটি করে চার ও ছক্কা হাঁকান তিনি। জাজাইয়ের ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান। তাদের ভালো শুরুর পর নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রানে থামে আফগানরা। অন্য ব্যাটসম্যানদের কেউ ভালো রান পাননি। দলের হয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৬ রান করেন শফিকুল্লাহ শফিক।

তবে গুলবাদিন নাঈব, ফজল নিয়াজি, রশিদ খানদের ছোট ছোট রান লড়াইয়ের পুঁজি পেতে সহায়তা করেছে আফগানিস্তানকে। জিম্বাবুয়ের হয়ে এ ম্যাচে ভালো করেন ‘বুড়ো’ ক্রিস এমপফু। চার ওভারে ৩০ রান দিয়ে ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে ৪ উইকেট তুলে নেন তিনি। মুতুমবজি নেন দুই উইকেট। একটি করে উইকেট নেন কাইল জার্ভিস এবং শন উইলিয়াম।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.